Economy

ভাঙা পড়বে জীর্ণ ভবন, আধুনিক-পরিবেশবান্ধব হবে ঢামেক

ভ ঙ পড়ব জ র ণ ভবন - দেশের চিকিৎসা খাতে মানুষের বিশ্বাসের প্রতীক ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক)। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই হাসপাতাল উচ্চমানের সেবা দিয়ে আসছে। প্রতিদিন

Desk Economy
Published July 21, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Foto : Karen Wilson - bangladailypost.com
Table of Contents
  1. ঢামেকের নবনির্মাণ: জীর্ণ ভবন বদলে আধুনিক পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস
  2. Related SEO Topics
  3. Frequently Asked Questions

ঢামেকের নবনির্মাণ: জীর্ণ ভবন বদলে আধুনিক পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস Bangladailypost.com – ভ ঙ পড়ব জ র ণ ভবন – দেশের চিকিৎসা খাতে মানুষের বিশ্বাসের প্রতীক

ঢামেকের নবনির্মাণ: জীর্ণ ভবন বদলে আধুনিক পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস

Bangladailypost.com – ভ ঙ পড়ব জ র ণ ভবন – দেশের চিকিৎসা খাতে মানুষের বিশ্বাসের প্রতীক ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক)। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই হাসপাতাল উচ্চমানের সেবা দিয়ে আসছে। প্রতিদিন হাজার হাজার রোগী এখানে চিকিৎসা গ্রহণ করেন। শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবা—দুই ক্ষেত্রেই ঢামেকের গুরুত্ব অপরিসীম। তবে বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানটি নানা সমস্যার মুখে। পুরনো ও ভাঙাচোরা ভবন, আবাসন সংকটসহ বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত ঢামেক। এই পরিস্থিতিতে সরকার নতুন রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে।

প্রকল্পের বিস্তারিত তথ্য

‘ঢাকা মেডিকেল কলেজের ব্যবহার অনুপযোগী স্থাপনাসমূহ প্রতিস্থাপন ও পুনর্নির্মাণ’ নামের এই প্রকল্পের আওতায় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ১৫৪ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর ২০২৬ সালের মার্চ থেকে ২০৩০ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে। বুধবার (২২ জুলাই) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে প্রকল্পটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে।

প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো টেকসই উন্নয়নের জন্য সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ, পানি ও আধুনিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। সোলার এনার্জি, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, সবুজায়ন এবং আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সমন্বিত একটি পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস গড়ে তোলা হবে।

পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তার বক্তব্য

প্রস্তাবিত প্রকল্পটি একনেক সভায় চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, মানবসম্পদ উন্নয়ন, সামাজিক সুরক্ষা ও দারিদ্র্য কমানোর জন্য প্রকল্পটি ভূমিকা রাখবে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে ঢাকা মেডিকেল কলেজে নির্মিত নতুন একাডেমিক ভবন, হোস্টেল, গবেষণাগার, আধুনিক ক্লাসরুম পুনর্নির্মাণের মাধ্যমে চিকিৎসা শিক্ষার গুণগত পরিবর্তন তথা ভবিষ্যতের দক্ষ চিকিৎসক তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদের উন্নয়ন ঘটবে এবং উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করে সুস্থ-সবল জাতি গঠনে সহায়ক হবে।

প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও সুবিধাসমূহ

বর্তমান একাডেমিক ভবন ও হোস্টেলগুলো মেরামত অযোগ্য ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। শিক্ষার্থীদের শিক্ষা, গবেষণা ও সৃজনশীলতার জন্য প্রয়োজনীয় সব আধুনিক ব্যবস্থা যেমন—একাডেমিক ভবন, হোস্টেল, লেকচার থিয়েটার, এক্সাম হল, প্রার্থনা কক্ষ, অডিটোরিয়াম ইত্যাদির সংস্থান রেখে একটি মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য স্থাপত্য অধিদপ্তরকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

অনুমোদিত মাস্টারপ্ল্যান মোতাবেক নতুন একাডেমিক ভবন, ছাত্রাবাস, আবাসিক কোয়ার্টার, মসজিদ, সার্ভিস ভবন এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য আনুষঙ্গিক স্থাপনার সংস্থাপন রেখে প্রকল্প প্রস্তুত করা হচ্ছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজকে আধুনিকায়নে নেওয়া প্রকল্পের আওতায় প্রস্তাবিত অবকাঠামোর মধ্যে রয়েছে—

  • দুটি বেজমেন্টসহ ১৫তলা বিশিষ্ট আবাসিক কোয়ার্টার ভবন (আয়তন: ২ হাজার ৬০১ বর্গমিটার)
  • ৮০০ আসন বিশিষ্ট ও একটি বেজমেন্টসহ ১৫তলা বিশিষ্ট শিক্ষার্থীদের হোস্টেল (আয়তন: ২৫ হাজার ৮৬৩ বর্গমিটার)
  • বেজমেন্টসহ ১৫তলা বিশিষ্ট একটি একাডেমিক ভবন (আয়তন: ৮৬ হাজার ৮৫৪ বর্গমিটার)
  • ৩০০ আসন বিশিষ্ট চারটি লেকচার থিয়েটার ও ৩০০ আসন বিশিষ্ট দুটি পরীক্ষা কক্ষের সুবিধা রেখে চারতলা বিশিষ্ট একটি সার্ভিস ভবন
  • ৮০০ জন মুসল্লির জায়গা সংস্থান রেখে চারতলা বিশিষ্ট একটি মসজিদ

অনাবাসিক ভবন নির্মাণ, অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাজ, বাউন্ডারি ওয়াল, অভ্যন্তরীণ রাস্তা ও কালভার্ট, সেন্ট্রি পোস্ট, ওয়াকওয়ে, ফুটপাত, কম্পাউন্ড ড্রেন নির্মাণ অন্তর্ভুক্ত। বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদির জন্য ভবন ও সংশ্লিষ্ট স্থানে আসবাবপত্র ক্রয়, বিশেষ করে মেডিকেল কলেজ, ছাত্রাবাস ও অন্যান্য স্থানে; যন্ত্রপাতি, অফিস সরঞ্জামাদি (ফটোকপিয়ার মেশিন দুটি, এসি একটি) ক্রয়; তিনটি প্রিন্টার, তিনটি স্ক্যানার, কম্পিউটার এবং আনুষঙ্গিক হিসেবে দুটি ল্যাপটপ ও একটি ডেস্কটপ কেনা হবে।

পাশাপাশি ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, এসটিপি, ডিপটিউবওয়েল, অভ্যন্তরীণ গ্যাস সংযোগ, এলপিজি ইলেকট্রোমেকানিক্যাল বিষয়সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সব আনুষঙ্গিক বিষয়, সবুজায়ন, ওয়াটার বডি উন্নয়ন, পানি সাশ্রয়ী স্যানিটেশন, ফায়ার হাইড্রেন্ট সিস্টেম, সাব-স্টেশন, প্রয়োজনীয় সংখ্যক অত্যাধুনিক লিফট, বিদ্যুৎ-সাশ্রয়ী লাইট, অত্যাধুনিক ইলেকট্রিক ফিটিংস, সব প্রয়োজনীয় অবকাঠামো থাকবে।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নানা কারণে প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হচ্ছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ দেশের প্রথম ও প্রধান মেডিকেল কলেজ। ১৯৪৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল দেশের অন্যতম প্রধান স্বনামধন্য, প্রাচীন ও সর্বোচ্চ স্তরের চিকিৎসা শিক্ষা ও সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান। নতুন ও পুরনো মিলিয়ে প্রতিষ্ঠানটির আওতায় বর্তমানে প্রায় ৬০টি ভবন রয়েছে। ২ হাজার ৬০০ বেডের সংকুলান থাকলেও প্রতিদিন প্রায় ৩ হাজার রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন।

Frequently Asked Questions

Apa itu ভ ঙ পড়ব জ র ণ ভবন?

ভ ঙ পড়ব জ র ণ ভবন adalah topik utama yang dibahas di artikel ini dengan konteks praktis agar pembaca memahami informasinya dengan jelas.

Mengapa ভ ঙ পড়ব জ র ণ ভবন penting?

ভ ঙ পড়ব জ র ণ ভবন penting karena membantu pembaca membandingkan pilihan, menghindari kesalahan umum, dan mengambil keputusan yang lebih tepat.

Bagaimana cara memakai panduan ভ ঙ পড়ব জ র ণ ভবন ini?

Gunakan poin utama, contoh, dan tautan terkait di halaman ini sebagai rujukan awal, lalu cek detail terbaru sebelum mengambil keputusan final.

Leave a Comment