ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ ৬.৪৪ লাখ কোটি টাকা
খাতের সংকট ও বর্তমান পরিস্থিতি
ব য ক খ ত খ ল – প্রতিষ্ঠানিক দুর্নীতি, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ এবং তদারকির দুর্বলতা কারণে ব্যাংকিং খাতে গভীর আর্থিক সংকট উপস্থিত হয়েছে। বর্তমানে খেলাপি ঋণের হার বৃদ্ধি পেয়েছে ৩৫ দশমিক ৭৩ শতাংশে যা প্রায় ৬ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা সম্পন্ন হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তব্যে এই তথ্য তুলে ধরেন।
সরকারের প্রতিক্রিয়া এবং পদক্ষেপ
বিগত সরকারের অনিয়ম ও অসুশাসনের ফলে ব্যাংকিং খাতে গুরুতর সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। এই সংকট মোকাবেলায় চলতি অর্থবছরে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকার ব্যয় করে ব্যাংকগুলির আর্থিক সক্ষমতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে আমানতকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, যারা ঋণ নিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন অথবা বিদেশে পাচার করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রয়োজনে তাদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে ব্যাংকের অর্থ উদ্ধারের কথা তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বায়ত্তশাসন জোরদার করার সাথে সাথে ঋণ অনুমোদনে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ করার জন্য আইনি সংস্কার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এসব পদক্ষেপের ফলে ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতা ধীরে ধীরে ফিরে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতামত
অর্থনৈতিক খাতের সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকদের মতে, খেলাপি ঋণের বিশাল চাপ একদিনে দূর করা সম্ভব নয়। তবে সরকারের স্থায়ী অবস্থান গ্রহণ করে খাতে ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি পৌঁছেছে।