বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে আবার চালু করতে প্রস্তুত সরকার
বন ধ র ষ ট র য়ত – বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত য়ত – সরকার দীর্ঘদিন ধরে লাভহীনতা, উৎপাদন কমতি এবং ব্যবস্থাপনার অভাবে অচল হয়ে থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নতুন করে অর্থনীতির মূল প্রবাহে ফিরিয়ে আনার উদ্দেশ্যে একটি বড় পরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে। এই প্রকল্পে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের মোট ৪৪টি বিনিয়োগযোগ্য প্রকল্প চিহ্নিত করা হয়েছে যা দেশি ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকর্ষণে কাজে লাগানো হবে। এই প্রস্তাব প্রাথমিক ভূমিকা পালনের পর সরকার এখন এগুলোকে গুরুত্ব দিয়েছে যাতে কোটি টাকার বিনিয়োগ পরিকল্পনা কার্যকর হতে পারে।
বিনিয়োগ পাইপলাইন গড়ে উঠছে
প্রকল্পগুলো দেশের গুরুত্বপূর্ণ শিল্প অঞ্চলে অবস্থিত এবং বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি এবং যোগাযোগ সৌর গ্লাস, সোলার প্যানেল প্রস্তুতকারী প্রকল্পের জন্য বিনিয়োগ সম্ভাবনা উপস্থাপন করে। সম্প্রতি বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) প্রকাশ করেছে স্টেট ওউন ইনভেস্টমেন্ট পোর্টফোলিও যেখানে প্রতিষ্ঠানগুলোর সার্বিক অবস্থা ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা বর্ণনা করা হয়েছে। এই পোর্টফোলিও বাংলাদেশের বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর সম্পত্তি ও সুবিধার সম্পূর্ণ অবকাঠামো প্রকাশ করেছে যাতে নতুন জমি অধিগ্রহণ বা অবকাঠামো নির্মাণে সময় ও অর্থ ব্যয় হবে না।
বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেছেন, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য বেসরকারি খাতই সবচেয়ে উপযুক্ত। সরকারের কাজ ব্যবসা পরিচালনা নয়, বরং বিনিয়োগের প্রাকৃতিক পরিবেশ গড়ে তোলা। তিনি বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো বিনিয়োগ করতে পারে কারণ তাদের কাছে সুবিধার প্রাপ্তি এবং কার্যক্ষমতা সম্পূর্ণ রয়েছে।
প্রাচীন শিল্প অঞ্চলে নতুন সুযোগ তৈরি
বিসিআইসি এর আওতাধীন স্থানগুলোর মধ্যে নতুন টিএসপি সার কারখানা, ক্লোর-অ্যালকালি ও পিভিসি প্ল্যান্ট, লিথিয়াম ব্যাটারি ও এপিআই স্টার্চ কমপ্লেক্স এর প্রস্তাব রয়েছে। বিনিয়োগের সম্ভাব্য আর্থিক রিটার্ন ১২ থেকে ১৮ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে বলে পোর্টফোলিওতে উল্লেখ করা হয়েছে। সরকার এই ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করতে পারে কারণ এগুলো স্থায়ী উন্নয়নের সম্ভাবনা দেখাচ্ছে।
প্রতিষ্ঠানগুলো আবার চালু করতে পারলে এগুলো দেশের বিনিয়োগ কর্তৃপক্ষ জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করবে। বিডা দেখিয়েছে যে বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত য়ত এগুলো ব্যবসা পরিচালনার জন্য উপযুক্ত হতে পারে। অবকাঠামো ও শিল্প