এলপিজির দাম কমায় স্বস্তিতে গ্রাহকরা
এলপ জ র দ ম কম য় – জুলাই মাসে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হওয়া ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম প্রতি কেজি গড়ে ২৯ টাকা ৭৬ পয়সা কমে যায়। এতে সিলিন্ডারটির মূল্য ৩৫৭ টাকা কমে চলতি দাম হয়েছে ১৫২৮ টাকা। আগের মাসেও এলপিজির দাম কমিয়েছিল যে ১২ কেজির সিলিন্ডার দাম আগে ৫৫ টাকা কমেছিল। দুই মাসের মধ্যে দাম কমানোয় এলপিজি ব্যবহারকারীদের কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কয়েকজন গ্রাহকের সাথে কথা হয়। তাদের মতে, কয়েক মাস ধরে এলপিজির দাম তুলনামূলক বেশি রয়েছিল যার কারণে সংসারের খরচ বেড়েছিল। এবার একসাথে ৩৫৭ টাকা কমেছে যে উল্লেখযোগ্য স্বস্তি আনে। বিশেষ করে যারা পাইপলাইন গ্যাসের সুবিধা পায় না এবং পুরোপুরি এলপিজি ওপর নির্ভর করে তারা এ সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক ভাবছেন।
রাজধানীর আজিমপুরের বাসিন্দা স্বর্ণা খাতুন বলেন, এলপিজির দাম কমানোয় ভালো হয়েছে। গত দুই মাসে ৪০০ টাকা বেশি দাম কমেছে। সংসারের খরচ কিছুটা কমেছে।
মিরপুরের বাসিন্দা লাবনী আক্তার বলেন, অনেক পরিবারের কাছে ৫০০ টাকা অনেক কিছু। রান্না তো সিলিন্ডার গ্যাস দিয়েই করতে হয়। আমাদের মতো গরিবদের কষ্ট হয়। এখন দাম কমে ভালো হয়েছে।
যাত্রাবাড়ীর বাসিন্দা নূর উদ্দিন বলেন, এলপিজির দাম কমায় সরকারকে ধন্যবাদ। এ রকম ভাবে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমলেও ভালো হতো। অল্প আয়ের মানুষের কষ্ট কমতো।
বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে যে সরকারি দামে এলপিজি পাওয়া যাচ্ছে। রাজধানীর হাতিরপুলের এলপিজি ব্যবসায়ী রতন বলেন, চার-পাঁচ দিন হলো গ্যাসের দাম কমেছে। আমরা ফ্ল্যাটে গিয়ে সিলিন্ডার দিয়ে আসি। এজন্য ১৬৫০ টাকা রাখি। বেশি দাম রাখি না। সবাই গ্যাসের দাম জানে, বেশি রাখার সুযোগ নেই।
লালবাগের এলপিজি দোকানি বাতেন বলেন, ১২ কেজির সিলিন্ডার ১৫৫০ টাকা বিক্রি করছি। অনেক সময় ২০-৫০ টাকা আমরা বেশি নেই, কারণ বাসায় গিয়ে গ্যাস দিয়ে আসতে হয়। এটাকে বেশি নেওয়া বলে না। সরকারি দামেই সিলিন্ডার বিক্রি করছি।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে স�