প্রবাসী আয় দিয়ে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পুনর্বৃদ্ধি হয়েছে
প রব স আয় র জ য় – বাংলাদেশে এক অর্থবছরে সর্বোচ্চ ৩৫ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পরিমাণ প্রবাসী আয় আসে। সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই সংখ্যা দেখা গেছে যে সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে এই রেকর্ড মূল্যের প্রবাসী আয় সংগ্রহ করা হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ১৭ দশমিক ৩০ শতাংশ বেশি। এই ধারাবাহিক বৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ধরে রাখতে এবং সামষ্টিক অর্থনীতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, পূর্ববর্তী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে আসে ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার। তার তুলনায় এই অর্থবছরে পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলারে, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এই মাসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী বৈধ পথে প্রবাসী প্রতিমাসে প্রাপ্ত আয় পরিমাণ হার হারায় না। এর আগে দেখা গেছে গত সাত বছরে প্রবাহ ধারাবাহিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে।
মুল্য নির্ধারণ করে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের ডেটা
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী গত মঙ্গলবার (৩০ জুন) পর্যন্ত দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৭ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুযায়ী সংখ্যা হল ৩২ দশমিক ৯০ বিলিয়ন ডলার। কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে প্রবাসী আয়ের বৃদ্ধি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করছে এবং আমদানি ব্যয় নির্বাহে সহায়তা করছে।
“প্রবাসী আয়ের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করার পাশাপাশি আমদানি ব্যয় নির্বাহ এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে,” বলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।
বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুযায়ী ডলারের বাজারে চাপ কমাচ্ছে এবং আমদানি ব্যয় নির্বাহে সহায়তা করছে। এই তিন দেশ থেকে মোট ১৩ দশমিক ১৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স প্রবাহ ঘটেছে, যা মোট প্রবাসী আয়ের প্রায় ৪৩ দশমিক ৪ শতাংশ।
স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষমতা বৃদ্ধি হয়েছে
জাতীয় সংসদে �