টেকসই নবায়নযোগ্য জ্বালানির ভবিষ্যতের জন্য সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ জরুরি
ট কসই নব য়নয গ য জ – টেকসই নবায়নযোগ্য জ্বালানি আমদানি বাংলাদেশের জন্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা সঞ্চয় এবং জ্বালানি নিরাপত্তা বজায় রাখার ক্ষেত্রে অপরিহার্য। এটি সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ ছাড়া অসম্ভব হতে পারে। সংগঠন ধরিত্রী রক্ষায় আমরা আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তাদের মতে স্পষ্ট নীতিগত পরিকল্পনা ছাড়া স্থায়ী জ্বালানি খাতের বিস্তার অসম্ভব। প্রতি সদস্য বক্তারা জ্বালানি নিরাপত্তা এবং পরিবেশগত সমস্যার বিষয়ে গুরুত্ব দিয়েছেন এবং তাদের মতে উন্নয়নের স্পষ্ট পরিকল্পনা দরকার। কারণ তারা বিশ্বাস করেন যে বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে টেকসই নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিস্তার সামগ্রিক ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ প্রাণী সংক্রান্ত ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছাড়া বাস্তবায়ন করা কঠিন।
বাজেটে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে
২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে টেকসই নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের জন্য উল্লেখযোগ্য মূল্যায়ন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ঢাকার সিরডাপে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সভাপতিত্ব করেন ধরিত্রী রক্ষায় আমরার সহ-আহ্বায়ক এম এস সিদ্দিকী।
জালাল আহমেদ মন্তব্য করেন যে বাজেটে নবায়নযোগ্য জ্বালানির জন্য নীতিগত সহায়তা দেওয়া হয়েছে এবং এটি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে ২০৩০ সালের মধ্যে ৭ হাজার মেগাওয়াট টেকসই নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রস্তুত করা সম্ভব। তিনি উল্লেখ করেন যে সরকারি সংস্থাগুলোর মানসিকতার পরিবর্তন, বিনিয়োগ সহায়তা বৃদ্ধি এবং স্পষ্ট রোডম্যাপ প্রণয়ন অপরিহার্য।
বৈদেশিক প্রবন্ধ প্রস্তুতকারী সংগঠন ধরিত্রী রক্ষায় আমরা আয়োজিত আলোচনা সভায় আলোচিত হয়েছে যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্পগুলো চালু করার জন্য প্রয়োজন হয়েছে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা। এই সভায় উপস্থিত বিশেষজ্ঞরা জ্বালানি নিরাপত্তা এবং পরিবেশগত সমস্যা সমাধানের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরেছেন।
বিদ্যুৎ উৎপাদনে টেকসই জ্বালানির অবদান খুব কম
আইইইএফএ লিড এনার্জি অ্যানালিস্ট শফিকুল আলম বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে টেকসই নবায়নযোগ্য জ্বালানির অবদান মাত্র ২.৩