চট্টগ্রাম বন্দরে যেমন অনিয়মের জন্য বন্দর কাজের নিয়ম আছে কিনা তা অনুমান করা হয়েছে
চট টগ র ম বন দর য – দেশের প্রায় নয় দশমিক ছয় শতাংশ আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে হয়ে থাকে। ব্যবসার এই মহাযজ্ঞে বন্দর কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন কার্যক্রম টেন্ডার বাদে চলছে। চাক্তাই আছদগঞ্জ এলাকার সুজাকাঠগড় মৌজায় বন্দর পক্ষ ছয় মাসের জন্য ২৪ শতাংশ জমি অস্থায়ী ভাড়ায় দিয়েছে। প্রতিনিয়ত জমি ও স্থাপনার ইজারা দেওয়া হচ্ছে টেন্ডার ছাড়াই।
টেন্ডার ছাড়া ইজারা সংক্রান্ত অনিয়মের বিরুদ্ধে দুদক তদন্ন চালাল
২০২৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বরে সুব্রত মহাজন চট্টগ্রাম বন্দরের একটি জায়গার বরাদ্দ পেতে আবেদন করেন। সুতাই ব্যবসায়ী মোস্তাফিজুর রহমান ও পূবালী ট্রেডার্সের নামে তার আবেদন জমা দেয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটির জন্য কোনো সময় নির্দিষ্ট করা হয়নি বলে পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ও আলোচনার প্রক্রিয়া অব্যাহত ছিল। কিন্তু ছয় দিনের মধ্যে জায়গার বরাদ্দ অনুমোদন দেয়া হয়।
“টার্মিনাল নির্মাণের জন্য লালদিয়া চরের ৭ একর জমি ইজারার জন্য টেন্ডার ডেকে পরে আরও ৩ দশমিক ৬৬ একর জমি বিনা টেন্ডারে ট্রান্সমেরিন লজিস্টিকস নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে ইজারা দেওয়া হয়েছে। অথচ প্রতিষ্ঠানটির টার্মিনাল অপারেশনের কোনো অভিজ্ঞতা নেই। তাই আমি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি।”
আরও নিয়ম না মানা কাজের কারণে বন্দর কর্তৃপক্ষ আদালতে দাঁড়ায়। গত ১১ মে হাইকোর্টে টেন্ডার ছাড়া ইজারার বিষয়ে রুল জারি করা হয়। ভারটেক্স অফডক লজিস্টিকস সার্ভিস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইমরান ফাহিম নুর আদালতে রিট করেন যে কোম্পানীটি টার্মিনাল পরিচালনার অভিজ্ঞতা সম্পন্ন নয়।
খাস খতিয়ান নিয়ে আদালতে মামলা চলছে
সিটি করপোরেশন বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বন্দর ইয়ার্ডে খালি কনটেইনার পরিবহন কাজের জন্য জায়গা বরাদ্দ করে। কর্ণফুলী পাড়ের ফিরিঙ্গি বাজার মৌজার আর এস ৬০১ দাগে বন্দরের ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের দুটি ব্লকের মালিকানা নিয়ে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বিরোধ রয়েছে। এ বিষয়ে আদালতে মামলাও চলছে।
বর্তমানে বন্দর কর্তৃপক্ষ টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। আগামী সপ্তাহে টেন্ডার হবে বলে জানায় এভারেস্ট এন্টারপ্রাইজের কর্ণধার শাহাদাত হোসেন সেলিম। তিনি বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন যে সিটি করপোরেশন তার জায়গার বরাদ্দ করেছে এক বছরের জন্য প্রতি বর্গফুট ৩২ টাকার হারে অস্থায়ী ভাড়ায়।