সামিউন বশিরের দারুণ অলরাউন্ড পারফরম্যান্স, জয়ী লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ
স ম উন বশ র র দ – সাধারণ ক্রিকেটারদের মধ্যে সামিউন বশির রাতুল এখনো বেশি পরিচিত নয়। তার নাম সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েনি আবারও। কিন্তু বিশিষ্ট ক্রিকেট মহলে তার নাম এখন বেশ আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। শেরেবাংলার প্রেসবক্সে তার সম্পর্কে আলোচনা হচ্ছে অনেক বেশি। কে তিনি? সে বিষয়ে প্রশ্ন উঠছে না কেনো? শুনুন, তার নাম সামিউন বশির রাতুল। সে বাঁ-হাতি অলরাউন্ডার। কেউ কেউ তার সাথে সাকিব আল হাসানকে তুলনা করে চাচ্ছেন।
গত বছরে কুষ্টিয়ায় তার প্রথম লিগ খেলা হয়েছিল। তবে এই সময়ে কেউ কেউ তাকে নিয়ে উল্লেখ করছিলেন কারণ তার খেলোয়াড়ী ক্ষমতা এখন আস্থা জন্ম দিয়েছে। আজ তার দ্বিতীয় খেলায় তিনি অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখানোর সাথে সাথে অগ্রগতি ঘটিয়েছেন।
বিকেএসপির ৪ নম্বর মাঠে খেলা হয়েছিল লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ এবং ঢাকা লেপার্ডসের মধ্যে। প্রথম ব্যাট করে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ ১০ উইকেটে ২৫০ রান করেছিল। সেই সময় তিন ব্যাটার—শিবলী, হাবিবুর রহমান সোহান এবং মেহেদি হাসান—এর সাথে বিশেষ অবদান রেখেছিল। সামিউন বশির রাতুল তাদের মধ্যে সামিউন বশির রাতুল করেছিলেন ৪৯ বলে ৪৩ রান।
প্রতিপক্ষের জবাবে ইফতিখার হোসেন ইফতি এবং মইন খান সাহায্য করেছেন যথেষ্ট রান করতে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনও ব্যাটসম্যান রান করতে পারেনি। তার ফলে লেপার্ডসের পরাজয় হয়েছিল। আজ জয়ের কারণে তাদের পয়েন্ট ৬ খেলায় ৮ হয়েছিল। কিন্তু এখন তাদের পয়েন্ট ৬ খেলায় ৬ এ থাকছে।
ম্যাচের শেষ ওভারে সামিউন বশির রাতুলের বোলিং দ্বারা লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের শেষ ব্যাটসম্যান হাসান মুরাদকে আউট করেন। সেই ওভারে লেপার্ডসের জয়ের জন্য দরকার ছিল ১০ রান। প্রথম বলেই মইন খানের হাতে ছক্কা হয়েছিল। দ্বিতীয় বলে সিঙ্গেল পেয়েছিল মইন। দুই বলে কোনও রান দিয়ে না দিয়ে সামিউন বশির রাতুল ধীরে সুস্থে বোলিং করেন।
তিনি সেই মুহূর্তে আপন ক্ষমতা দিয়ে নির্ভর করেছেন। সামিউন বশির রাতুল অতি অল্প রানে ম্যাচ জেতার ক্ষমতা দেখান। এর মধ্যে শেষ পাঁচ ব্যাটসম্যান—শেখ পারভেজ জীবন, আলাউদ্দিন বাবু, আরাফাত সানি, আল ফাহাদ এবং হাসান মুরাদ—সামিউন বশির রাতুল দ্বারা মাত্র চার রান করেছেন। ফলে লেপার্ডসের বিপদ হয়েছিল। এর ফলে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের শাহরিয়ার