পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের মিশনে ফের দুশ্চিন্তা সেই বৃষ্টি
প ক স ত নক হ য় – বাংলাদেশ ক্রিকেট দল পাকিস্তানকে আবার ধবলধোলাই করার সম্ভাবনা জাগিয়েছে এখনও বিপক্ষে সম্মুখে দাঁড়ানোর পরিপ্রেক্ষিতে। রাওয়ালপিন্ডিতে ২-০ তে পাকিস্তানকে ধবলধোলাই করেছিল টাইগাররা। যাদের জন্য প্রশংসনীয় নাম রয়েছে তারা সবাই একটি ইউনিট হিসেবে কাজ করেছে। প্রথম টেস্টে পাকিস্তানের জুটি ভেঙে দিয়েছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। পরে দ্বিতীয় টেস্টে টিম বাংলাদেশ পেয়েছিল দুই ইনিংসে ৬ উইকেটের জয়। এখন প্রশ্ন উঠেছে সেই প্রতিদ্বন্দ্বিতার পরিপ্রেক্ষিতে সিলেটে কি আবার একই ধরনের প্রদর্শন হবে?
টাইগারদের খেলোয়াড়রা বৃষ্টিতে মাঠে নিষ্ফলা থাকতে পারেন কিনা সে বিষয়ে সতর্কতা প্রদর্শন করেছেন। দুই ইনিংসে অধিনায়ক শান্ত বিপক্ষের সামনে শতরান করে ফেলেছেন। প্রথম ইনিংসে ১০১ রান করে দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ১৩ রান দূরে আউট হলেও দলকে পিছনে ঠেলে দিয়েছেন তিনি। এই সফলতা সাধন করেছেন সবাই একটি ইউনিট হিসেবে। বল হাতে মেহেদী হাসান মিরাজ ও নাহিদ রানা উভয় ইনিংসে ৫ উইকেট করে পাকিস্তানকে কুপোকাত করেছেন। যাদের কথা বলা হয়েছিল তাদের কাজ কেবল আঘাত দেওয়ার সাহস হয়নি বরং পাকিস্তানের পুরো টেস্ট সিরিজের ভাগ্য নির্ধারণে সাহায্য করেছেন।
অভিজ্ঞ মুমিনুল হকও দুই ইনিংসে ফিফটির ঘরে পা রেখেছেন। মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস প্রায় সামনে এগিয়ে দিয়েছেন দলকে। সব মিলিয়ে একটি সাজানো-গোছানো পারফরম্যান্স ঘটিয়েছে টিম বাংলাদেশ। এবার সিলেটে বৃষ্টির পূর্বাভাস থেকে আছে। সাত দিনের মতো প্রতিদিনই বৃষ্টি হওয়া সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া হাতে বাংলাদেশের মিশন কি বাধা হবে সে বিষয়ে দুশ্চিন্তা জাগিয়েছে। ঢাকায় বৃষ্টি বাগড়া দিলেও খেলা নির্বিঘ্নে শেষ হয়েছিল। এখন প্রশ্ন উঠেছে সিলেটে আবার টেস্ট সিরিজ শেষ হবে কিনা। এ বিষয়ে দুশ্চিন্তা জাগিয়েছে ক্রিকেট অনুরাগীদের মনে।
এ বিষয়ে নাজমুল হোসেন শান্ত অপরিহার্য ভূমিকা রেখেছেন। প্রথম ইনিংসে দারুণ পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন অধিনায়ক। পরে দ্বিতীয় ইনিংসে কিছু করতে পারেন নি। পাকিস্তানকে ঢাকায় পরাজিত করার সফলতা কেবল এক