আশরাফুল / ‘রাত ১০টায় ঘুম, ভোরে ওঠা-২১ বছর আগে যেমন দেখেছি মুশফিক এখনও তেমন’
আশর ফ ল র ত ১০ট য় – বাংলাদেশের দলের বর্তমান ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল বলেন, তিনি মুশফিকুর রহিমকে শুরু থেকে দেখছেন। মুশির টেস্ট অভিষেক তার চোখের সামনে হয়েছিল। আশরাফুল তার অধিনায়কত্বে খেলেছেন এবং মুশফিকের পরিচালনায় মুশফিকের কাছেও খেলেছেন।
মুশফিক যে ম্যাচে প্রথম টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি করেছিলেন, সেই খেলায় আশরাফুলের সামনে তাও ছিল ডাবল সেঞ্চুরির হাতছানি। কিন্তু আশরাফুল ১৯০ রানে ফিরে যাওয়ায় মুশফিকের সে সাফল্যের ফলক স্পর্শ করা হয়নি। তবে মুশফিক ঠিকই কাঙ্ক্ষিত ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন।
তার মূল্যায়ন, ‘মুশফিক আসলে একদমই পাল্টায়নি। সেই টেস্ট ক্রিকেটে যাত্রার প্রথম দিন থেকে দেখেছি, জেনেছি রাত সাড়ে ৯টা থেকে সর্বোচ্চ ১০টা। আবার কখনো কখনো রাত ৯টা নাগাদ ঘুমিয়ে পড়তো মুশফিক। এখনো তাই করে। সাড়ে ৯টার মধ্যে ঘুমিয়ে যায়। ফজরের আজানের সঙ্গে সঙ্গে উঠে ফজরের নামাজ পড়ে।
পাঠকরা শুনে ও জেনে অবাক হবেন, আজ ১৮ মে-ও সেই ফজরের সময় উঠে নামাজ পড়ে সকাল সোয়া ৭টায় টিম হোটেল থেকে বেরিয়ে গেছেন মুশফিক। সোমবার রাতে জাগো নিউজের সাথে আলাপে এ তথ্য দিয়ে আশরাফুল জানান, ‘একজন মানুষ, একজন ক্রিকেটার এতটা নিয়মশৃঙ্খলা মেনে চলতে পারে, সেটা মুশফিককে না দেখলে আসলে বিশ্বাস করা যায় না। আমিও বিশ্বাস করতাম না। সেই ২১ বছর আগেও দেখেছি সে রাত ১০টার আগে ঘুমিয়ে পড়ে। আর ফজরের সময় উঠে নামাজ পড়ে সবার আগে জিমে ও প্র্যাকটিসে চলে যায়। আজ সিলেট টেস্টের তৃতীয় দিনও ঠিক সেই কাজটিই করেছে।’
তিনি যে ডিটারমিনেশন, এটাই মুশফিকের বৈশিষ্ট্য। উইকেট দেবে না—এই মর্মে দীক্ষিত হয়ে। এতটাই সতর্ক ও সাবধানী ছিল যে, প্রথম ১ ঘণ্টায় একটি মাত্র বাউন্ডারি হাঁকালো। তাও ঠিক ড্রিংকসের আগে। সারভাইভ করে খেলে প্রথম ঘণ্টা কাটিয়ে দিল। টাফ টাইমটা পার করল। তারপর খেলল নিজের মতো করে।
‘এই যে ডিটারমিনেশ