Country

৩০০ কোটির হাসপাতাল, ৪০ বছর পর শুধুই ঝোপঝাড়

৩০০ কোটি ব্যয়ে নির্মিত হাসপাতাল এখন ঝোপঝাড়ে পরিণত হয়েছে ৩০০ ক ট র হ সপ ত - ১৯৮৫ সালে ঢাকার ধামরাইয়ের চৌহাট ইউনিয়নের রাজাপুর এলাকায় একটি আধুনিক ক্যান্সার

Desk Country
Published July 4, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

৩০০ কোটি ব্যয়ে নির্মিত হাসপাতাল এখন ঝোপঝাড়ে পরিণত হয়েছে

৩০০ ক ট র হ সপ ত – ১৯৮৫ সালে ঢাকার ধামরাইয়ের চৌহাট ইউনিয়নের রাজাপুর এলাকায় একটি আধুনিক ক্যান্সার হাসপাতাল গড়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। সেই সময় প্রকল্পটি দেশের চিকিৎসা মানদণ্ডে নতুন স্বপ্ন ঘটিয়েছিল। কিন্তু চার দশক বাদে এখন এটি একটি অপূর্ণ কাজের অবকাঠামো হিসেবে সাক্ষী হয়ে আছে। বর্তমানে স্থানীয়দের দেখা গেছে যে হাসপাতালটি চারপাশে আগাছা ও লতার মাঝে আবৃত হয়ে আছে। নির্মাণ কাজ শেষ হয়নি, কিন্তু কোনো চিকিৎসাসেবা বা জনসমাগম নেই।

এই হাসপাতাল প্রকল্পটি শিল্পপতি খান মোহাম্মদ ইকবাল এর স্বপ্ন হতে গড়ে উঠেছিল। তার প্রয়াত বাবার ক্যান্সার চিকিৎসার কাহিনী থেকে বিদেশে চিকিৎসা পেতে বাধ্য হতে হয়েছিল। তাই সেই অভিজ্ঞতা থেকে তিনি দেশে আধুনিক হাসপাতাল গড়ার সিদ্ধান্ত নেন। প্রায় ২০ বছর বাদে কাজটি প্রায় বন্ধ হয়ে আছে। সরকার বা কোনো ব্যক্তি যদি এটি চালু করতে চায়, তাহলে মালিকপক্ষ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।

“খান মোহাম্মদ ইকবালের বাবা ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তাকে বিভিন্ন দেশে নিতে হয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকে তিনি দেশে আধুনিক ক্যান্সার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু প্রকল্পটি শেষ পর্যন্ত পূর্ণতা পায়নি,” বলেন ইকবাল আহমেদ ফাউন্ডেশনের ম্যানেজার মোর্শেদ চৌধুরী।

প্রায় ৪০ বছরে প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হয়নি। এখন সেখানে সাভার, মানিকগঞ্জ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলার লাখো মানুষের জন্য একটি আধুনিক চিকিৎসা কেন্দ্র গড়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে ধামরাই সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী আবীর বলেন, এত বড় হাসপাতাল অব্যবহৃত পড়ে থাকা খুবই দুঃখজনক। তিনি দাবি করেন যে প্রকল্পটি চালু হলে এখন থেকে অপচয় রোধ হবে।

স্থানীয় বাসিন্দা আরিফ হোসেন বলেন, প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হয়নি বলে এখন ভবনগুলো নষ্ট হচ্ছে। সেই কোটি কোটি টাকার বিশাল কাঠামো এখন সীমানাজুড়ে প্রায় বন্ধ হয়ে আছে। তার মতে সরকার, উদ্যোক্তা পরিবার ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগে এটি দ্রুত চালু করা উচিত।

ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল মামুন বলেন, প্রকল্পটি একজন ব্যক্তি নিজ উদ্যোগে শুরু করেছিল

Leave a Comment