Country

শেষ হচ্ছে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা, মধ্যরাতে সাগরে নামবেন জেলেরা

পটুয়াখালীর উপকূলীয় সমুদ্রে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা শেষ হবে আজ মধ্যরাতে শ ষ হচ ছ ৫৮ দ ন - ১১ জুন মধ্যরাতে শেষ হচ্ছে মাছ ধরার কাজ বন্ধ করে ৫৮ দিনের সরকারি

Desk Country
Published June 12, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

পটুয়াখালীর উপকূলীয় সমুদ্রে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা শেষ হবে আজ মধ্যরাতে

শ ষ হচ ছ ৫৮ দ ন – ১১ জুন মধ্যরাতে শেষ হচ্ছে মাছ ধরার কাজ বন্ধ করে ৫৮ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা। বৃহস্পতিবার বিকেলে আলীপুর ও মহিপুর মৎস্য বন্দর এবং অবতরণ কেন্দ্রগুলোতে পরিষ্কার করা হচ্ছে ফ্লোর এবং সংরক্ষণের জন্য ককসেট সহ উপকরণ প্রস্তুত করা হচ্ছে। এর সাথে সাথে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের কারণে জেলেদের আবহাওয়া পরিস্থিতি নিয়ে কিছুটা চিন্তা ছাড়া থাকেনি।

গত দুই মাসে আগের মতো মাছের আড়তগুলো ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করা হচ্ছে এবং নতুন উদ্যোগে বরফ উৎপাদনের কাজ শুরু হয়েছে বরফ কলগুলোতে। এছাড়া জেলেরা ট্রলার জাল, দড়ি ও মাছ ধরার বিভিন্ন উপকরণ প্রস্তুত করতে ব্যস্ত ছিলেন। মাঝিরা ট্রলারের ইঞ্জিন পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও শেষ মুহূর্তের মেরামত কাজ সম্পন্ন করছেন। বৃহস্পতিবার মধ্যরাত পেরোলেই গভীর সমুদ্রে যাত্রা শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে অধিকাংশ ট্রলারের।

“দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আবার সমুদ্রে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছি। আবহাওয়া ভালো থাকলে বৃহস্পতিবার রাত থেকেই মাছ ধরার জন্য গভীর সমুদ্রে যাত্রা করব।”

কলাপাড়ায় মোট ১৮ হাজার ৩০৯ জন নিবন্ধিত জেলেসহ অর্ধলক্ষাধিক মৎস্যজীবী রয়েছেন। নিষেধাজ্ঞার সময় অধিকাংশ জেলে চরম অর্থকষ্টে পড়েন। তাদের অভিযোগ, সরকারি সহায়তা বণ্টনে নানা অনিয়মের কারণে তারা প্রাপ্য খাদ্য সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। তারা স্বচ্ছ ও সঠিকভাবে খাদ্য বিতরণের দাবি জানান।

“নিষেধাজ্ঞার সময়ে ট্রলার মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণে বিপুল অর্থ ব্যয় হয়েছে। অনেকেই ঋণগ্রস্ত হয়েছেন। তাই নতুন মৌসুমে ভালো মাছ ধরা পড়লে ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।”

কলাপাড়া মৎস্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছরে আলীপুর ও মহিপুর মৎস্য বন্দরসহ উপজেলার বিভিন্ন আড়তে প্রায় ৩৩ হাজার মেট্রিক টন ইলিশ ও অন্যান্য সামুদ্রিক মাছ আহরণ হয়েছিল। তবে চলতি অর্থবছরে সেই পরিমাণ প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে।

কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, নিষেধাজ্ঞার ফলে মাছের প্রজনন ও বংশবিস্তার নিশ্চিত হয়েছে বলে আমরা আশা করছি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে জেলেরা ভালো মাছ পাবেন এবং উৎপাদন ঘাটতি অনেকটাই পূরণ হবে।

জেলেদের প্রত্যাশা, নিষেধাজ্ঞার কারণে মাছের উপস্থিতি বৃদ্ধি পেয়েছে যাতে আগামীকাল থেকে সাগরে ব্য

Leave a Comment