স্কুলছাত্র হত্যা ও মরদেহ নিয়ে থানা ঘেরাও
স ক লছ ত র হত য – স ক লছ ত র হত ঘটনার পর রামগঞ্জ উপজেলার ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া একাডেমির অষ্টম শ্রেণির ছাত্র মেহেদী হাসানের মৃতদেহ নিয়ে থানা ঘেরাও করা হয়েছে। এই ঘটনায় ছাত্রের পরিবার এবং এলাকার মানুষ দাবি ও স্লোগান ছুড়ে উত্তেজনা বৃদ্ধি করে। পুলিশের আশ্বাসের পর এক ঘণ্টা পর পরিস্থিতি সাময়িক স্বাভাবিকতা ফিরে আসে। এটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের পক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত করে।
মেহেদী হাসানের হত্যার প্রতিক্রিয়া
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ছাত্রাবাসের দুজন শিক্ষক জানান, ঘটনার পূর্বে কলেজ শাখার এক ছাত্রের আইফোন হারিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ছিল। এর পর মেহেদী অপবাদ গ্রহণ করে দুপুরে শিক্ষার্থীদের আটকে নিয়ে যাওয়া হয়। তার মৃত্যুর পর ছাত্রদের পক্ষে আত্মহত্যা প্রচার করা হয়। ঘটনার পর উত্তেজিত লোকজন প্রতিষ্ঠানে রাতে ভাঙচুর চালিয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনায় ছাত্র ও শিক্ষার্থীদের আতঙ্ক বৃদ্ধি পেয়েছে।
পরিবারের অভিযোগ, মেহেদীকে সন্ধ্যায় আবাসিক কক্ষে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। তার সুরতহালে পিঠে ও গলায় কালো দাগ দেখা গেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি। স ক লছ ত র হত ঘটনার প্রতিক্রিয়া হিসেবে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে বিতর্ক বাড়ছে। কিছু স্থানীয় সংগঠন ঘটনার বিচারের দাবি জানায়।
নোয়াখালীর চাটখিল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেকান্দার মোল্লা বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্ত চলছে এবং সম্পূর্ণ তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। স ক লছ ত র হত ঘটনার সংগঠনে পুলিশের দাবি জানানো হয়েছে যে বিষয়টি গুরুতর হতে পারে।
রামগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী আতিকুর রহমান বলেন, শৃঙ্খলা ফেরানোর জন্য প্রতিষ্ঠানটি সাতদিন বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের তিন পক্ষে ঘটনার প্রতিক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। স ক লছ ত র হত ঘটনার পর শিক্ষার্থীদের আতঙ্ক বৃদ্ধি পেয়েছে। তদন্তের প্রক্রিয়া প্রসারিত হওয়ার সাথে সাথে প্রতিষ্ঠানের নতুন পরিকল্পনা চালু করা হয়েছে।
বুধবার বিকেলে জানাজার পর পারিবারিক কবরস্থানে মেহেদীকে দাফন করা হয়। এতে বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেয়। একাডেমির কর্তৃপক্ষ বলেন, পরিস্থিতি বিবেচনায় শৃঙ্খলা ফেরানোর জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। স ক লছ ত র হত ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় স্কুলে শিক্ষার্থীদের পুনরায় আসার জন্য সাতদিনের বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
এই ঘটনার পর শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক বৃদ্ধি পেয়েছে। কিছু স্থানীয় কর্মচারী এবং পিতামাতারা প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার পর সাধারণ ক্ষোভ দেখা গেছে। স ক লছ ত র হত ঘটনার কারণে কেন্দ্রীয় কক্ষে সরাসরি মিছিল চালিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। তাদের দাবি ছাত্রের মৃত্যুর প্রতিক্রিয়া হিসেবে সংগঠিত ঘটনা তদন্ত করে ফেলা হয়।