র ম র স ম ন তে দুই যুবক নিখোঁজ হয়ে গেছেন
র ম র স ম ন ত – রৌমারী সীমান্তে পুশ-ইনে ব্যর্থ হয়ে শূন্যরেখায় অবস্থান করছে দুই যুবক। বিএসএফ কর্তৃক গয়টাপাড়া সীমান্তে পুশ-ইনের চেষ্টার পর এদের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। প্রচণ্ড ঝড় ও বৃষ্টির কারণে সীমান্তের শূন্যরেখার মধ্যে তারা রহস্যজনকভাবে অদৃশ্য হয়ে গেছেন। বিজিবি সূত্র অনুযায়ী ওই দুই ব্যক্তির স্থান নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় সীমান্ত দিয়ে আবার উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
পুশ-ইন করা ভারতীয় সীমান্তে ব্যর্থ হয়েছে
বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা গত বৃহস্পতিবার রাতে জিনজিরা নদীর ব্রিজের নিচ দিয়ে র ম র স ম ন এ পুশ-ইনের চেষ্টা করেন। এ ঘটনায় বাংলাদেশী নাগরিক ছয় জন দুর্দশা ভোগ করেন, কিন্তু দুই যুবক নিখোঁজ হয়ে গেছেন। মানবিক বিবেচনায় চার সদস্য বাংলাদেশে ফিরে আসেন, কিন্তু মো. সজিব হোসেন (২৫) ও মো. হিমেল মিয়া (১৮) এখনও পুরো কোনও সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। গয়টাপাড়া বিজিবি ক্যাম্পের সুবেদার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, আজ সকাল থেকে র ম র স ম ন এ অবস্থানরত ওই দুই ব্যক্তিকে দেখা যাচ্ছে না। তবে তাদের কোথায় গেছেন, সে বিষয়ে আমরা কিছু জানি না।
অপরদিকে ভুন্দুরচর সীমান্তে অবস্থান করছে তিন জন যুবক। গত ১০ জুন সিলেটের কানাইঘাট সীমান্ত দিয়ে সুলতান নামের দালালের মাধ্যমে তারা ভারতে প্রবেশ করে। ট্রেনে ভ্রমণকালে তারা ভারতীয় পুলিশের হাতে আটক হন। বিএসএফ সদস্যরা তাদের নিয়ে আবার র ম র স ম ন এ অবস্থান করছেন। এ ঘটনায় বাংলাদেশের মানুষ বিশেষ করে কুড়িগ্রাম জেলার নাগরিকদের চিন্তার সৃষ্টি হয়েছে।
র ম র স ম ন তে সীমান্ত দিয়ে নিয়মিত সামাজিক চাহিদা পূরণের জন্য মানুষ আগ্রহী। তবে গত কয়েক দিনে বৃষ্টি ও ঝড়ের কারণে সীমান্ত দিয়ে যাতায়াত কঠিন হয়ে উঠেছে। বিএসএফ কর্তৃক পুশ-ইন করা ব্যক্তিদের বেশির ভাগই বাংলাদেশে ফিরে আসেন, কিন্তু দুই যুবকের ক্ষেত্রে অবস্থা বিপর্যস্ত। বিজিবি এখনও তাদের খোঁজ চলছে।
গয়টাপাড়া সীমান্তে বর্তমানে একটি সামাজিক তার র ম র স ম ন তে অপরাধীদের নিয়ন্ত্রণের জন্য অবস্থান করছে। বিএসএফ ও বিজিবি এ এলাকায় একত্রে সাথে কাজ করছে। তবে অপরাধীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। সীমান্ত প্রদেশে নিয়মিত আটক করার মাধ্যমে গতি র ম র স ম ন তে আটক করা হয়েছে মোট ১২ জন। তবে এর মধ্যে দুই যুবক অদৃশ্য হয়ে গেছেন।
র ম র স ম ন তে সীমান্ত দিয়ে নিয়মিত আটক করার কাজে বিএসএফ ও বিজিবি এখনও কাজ করছে। বর্তমানে এ সীমান্তে সুবিধার অভাবের কারণে কয়েকটি ব্যক্তি শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন। তাদের স্থান নির্ধারণের জন্য বিজিবি একটি সংযুক্ত অ্যাক