রংপুর অঞ্চলে কলা চাষে নীরব বিপ্লব
র প র অঞ চল কল চাষ রংপুর অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করেছে সুন্দর মাটি ও উপযুক্ত আবহাওয়ার ফলে। কৃষি ভূমি ছাড়াও রাস্তার ধারে, পুকুরের পাড়ে বা বাড়ির পাশে খালি জায়গাগুলোতে কলাগাছ রোপণ হচ্ছে। স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে কম খরচে বেশি মুনাফা পাওয়ার কারণে এই খাতটি সামান্য করে উদ্যোক্তারাও আগ্রহ দেখাচ্ছেন।
বিপ্লবের সুযোগ নষ্ট হচ্ছে বলে কৃষকদের মনে আছে
র প র অঞ চল কল চাষে প্রতিবছর একটি বিপ্লব হচ্ছে, কিন্তু সঠিক সংরক্ষণ ব্যবস্থা ও প্রক্রিয়াজাত করণ কেন্দ্রের অভাবে এই সুযোগ প্রতিবছর পরিমাণে নষ্ট হচ্ছে। কলাগাছ একবার রোপণ করলে দীর্ঘ সময় ফলন পাওয়া যায়। এতে কম পরিশ্রম ও সামান্য খরচ থাকায় কল চাষে আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে তরুণ উদ্যোক্তাদের মধ্যে।
রংপুর বিভাগের আট জেলায় কলা চাষের পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। সাগর, মালভোগ, চিনি চম্পা ও মেহেরসাগর সহ বিভিন্ন জাতের কলা উৎপাদন হচ্ছে। র প র অঞ চল কল চাষ এখন বিশেষ করে আট জেলার জমি পরিপূর্ণ করার জন্য আগ্রহ নিয়োজিত হচ্ছে।
অর্থবছরে উৎপাদন ও আবাদের আকার
২০২২-২৩ অর্থবছরে রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট ও নীলফামারী জেলায় কলা আবাদের মোট পরিমাণ ছিল ৪২০৮ হেক্টর। ওই বছর উৎপাদন হয়েছিল ১ লাখ ১২ হাজার ৩৫৭ মেট্রিক টন। আমের উৎপাদন ছিল ৫৭৮৫ হেক্টর জমিতে ৭০ হাজার ৭০ টন।
২০২৩-২৪ অর্থবছরে র প র অঞ চল কল চাষ উৎপাদন হয়েছিল ৮৮১৪০ টন। গাইবান্ধায় ৭৪৬ হেক্টর জমিতে ১১০৯৩ টন, কুড়িগ্রামে ৪৯৬ হেক্টর জমিতে ১৭৮৭০ টন, লালমনিরহাটে ১৮০ হেক্টর জমিতে ৭৪৭৭ টন এবং নীলফামারীতে ৩৯৫ হেক্টর জমিতে ১৪৩৩৬ টন। কলার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ফল উৎপাদন হয়েছিল আমের ক্ষেত্রে ৫৮০৮ হেক্টর জমিতে ৭৫ হাজার ৫৬৪ টন।
দিনাজপুর, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রতিবছর তিন হাজার থেকে সাড়ে হাজার হেক্টর জমিতে কলা চাষ হচ্ছে। র প র অঞ চল কল বিক্রি হয় রংপুর-ঢাকা মহাসড়কের মিঠাপুকুর উপজেলার শঠিবাড়ী, দশমাইল এবং গোবিন্দগঞ্জের ফাঁসিতলা হাটে প্রতিদিন কয়েক কোটি টাকার বিক্রি হচ্ছে।
রংপুরের তকেয়া গ্রামের কৃষক আনোয়ার হোসেন বলেন, র প র অঞ চল কল চাষ করে আমাদের ভাগ্য বদলানোর সুযোগ আছে ঠিকই। কিন্তু কোল্ড স্টোরেজ বা বিপিল স্টোরেজ ছাড