Country

যশোরের ‘গলার কাঁটা’ দড়াটানা ব্রিজ, নতুন সেতু নির্মাণেও জটিলতা

যশোরের ‘গলার কাঁটা’ দড়াটানা ব্রিজ, নতুন সেতু নির্মাণেও জটিলতা যশ র র গল র ক ট - যশোর শহরের জনপ্রিয় কেন্দ্র দড়াটানায় অবস্থিত ভৈরব নদীর ওপর নির্মিত ব্রিজটি

Desk Country
Published June 8, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

যশোরের ‘গলার কাঁটা’ দড়াটানা ব্রিজ, নতুন সেতু নির্মাণেও জটিলতা

যশ র র গল র ক ট – যশোর শহরের জনপ্রিয় কেন্দ্র দড়াটানায় অবস্থিত ভৈরব নদীর ওপর নির্মিত ব্রিজটি এখন স্থানীয়দের যানজটের প্রধান কারণ হয়ে উঠেছে। মাত্র ২০ মিটার দৈর্ঘ্যের সেটি নদীর গলা চেপে ধরেছে অন্যদিকে শহরবাসীকে যানজটে অবস্থান করতে হচ্ছে। বিংশ শতাব্দীর আশির দশকে নির্মিত ব্রিজটি অপসারণ করে নতুন সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। নীতিমালা মেনে যথাযথ দৈর্ঘ্য ও উচ্চতা রক্ষা, যানজট নিয়ন্ত্রণ এবং শহরের প্রাণকেন্দ্রের সেতুটি নান্দনিক করে নির্মাণের মতো তিনটি চ্যালেঞ্জ এখন সামনে এসেছে।

যশোরের প্রাণ ভৈরব নদ হত্যায় ভূমিকা রেখে চলেছে অপরিকল্পিতভাবে নির্মিত ৫১টি ব্রিজ-কালভার্ট। তার মধ্যে যশোর সদরে রয়েছে ৩৪টি, চৌগাছা উপজেলায় ১৬টি এবং ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলায় একটি। বর্তমানে ম্যাপ অনুযায়ী নদের প্রস্থ শহরে ১৫০ মিটার এবং শহরের বাইরে ৩০০ মিটার। কিন্তু ব্রিজ-কালভার্ট করা হয়েছে ১২ থেকে ৭০ মিটার। এসব ব্রিজের কারণে পানি প্রবাহে বাধার সৃষ্টি হচ্ছে।

যানজট নিরসনের জন্য বর্তমানে দড়াটানায় ভৈরব নদীর ওপর এখন মাত্র ২০ মিটার দৈর্ঘ্যের ব্রিজ রয়েছে। সেটি ভেঙে নির্মাণ করতে হবে অন্তত ৬০ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতু। সেতু নির্মাণে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ কর্তৃপক্ষের নীতিমালা মেনে ছাড়পত্র গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী সেতুর একটি নির্ধারিত উচ্চতাও রয়েছে। কিন্তু সেই উচ্চতায় সেতু নির্মাণ করতে হলে দুই প্রান্তে যে পরিমাণ জমি প্রয়োজন সেটি পাওয়া যাচ্ছে না।

যশোরবাসীর জন্য দড়াটানা ব্রিজটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্রিজের দুই পাশের সাতটি সড়ক যদি ক্রসিং ছাড়া পারাপার করা যায়, তাহলে দড়াটানার দুর্ভোগের যানজট এড়ানো সম্ভব। নতুন ব্রিজ নির্মাণের ক্ষেত্রে বিষয়টি অবশ্যই বিবেচনা করতে হবে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, দড়াটানা ব্রিজটি অপসারণ করে নতুন সেতু �

Leave a Comment