মোবাইল ফোন বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে একজনের মৃত্যু
ম ব ইল ফ ন ব স – বাংলাদেশের ঢাকার আশুলিয়া এলাকায় একটি মোবাইল ফোন বিস্ফোরণে মিজানুর রহমান (৪৫) দগ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। ঘটনাটি শনিবার (১৪ জুন) রাতে রশিদ মার্কেট সংলগ্ন এলাকায় ঘটে। যখন তিনি দুটি মোবাইল ফোন চার্জিং করছিলেন, তখন অপ্রত্যাশিত একটি বিস্ফোরণ ঘটে এবং তাঁকে মৃত অবস্থায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে প্রেরণ করা হয়। রুমে থাকা আসবাবপত্র ও মোবাইল ফোনের বিস্ফোরণে পুড়ে যাওয়ার ফলে তাঁর পরিবার এবং স্থানীয় মানুষ এক প্রাণহারার ঘটনায় বিষণ্ণ হয়ে পড়েন।
ঘটনার পরিবেশ ও প্রতিক্রিয়া
মোবাইল ফোন বিস্ফোরণে ঘোপাল ইউনিয়নের নোয়াপাড়া এলাকার সিদ্দিক ভেণ্ডার বাড়ির বাসিন্দা মিজানুর রহমানের মৃত্যুর খবর শুনে আশুলিয়া এলাকার স্থানীয়রা দুর্দান্ত সংবাদে জড়ায়। তারা তাঁর মৃত শরীর আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য উদ্ধার করেন এবং জাতীয় সার্জারি ইনস্টিটিউটে তাঁকে প্রাণ হারানোর কারণ নির্ণয় করতে চেষ্টা করেন। ঘটনার পর দিনে তাঁর মৃত্যু ঘটে এবং সোমবার তাঁর মরদেহ এলাকায় আনা হবে এবং দাফন করা হবে। এই মোবাইল ফোন বিস্ফোরণের ফলে স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে আশঙ্কা বৃদ্ধি পেয়েছে যে চার্জিং সম্পর্কে কিছু অজ্ঞাত কারণ ঘটেছে।
মোবাইল ফোন বিস্ফোরণের কারণ খুঁজছে পুলিশ
পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনার বিস্তারিত তদন্ন চালু করেছেন এবং মোবাইল ফোন বিস্ফোরণের কারণ খুঁজছেন। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় আসবাবপত্রগুলি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল। মোবাইল ফোনের পোড়া অংশগুলি রুমের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে এবং এটি পুড়ে যাওয়ার ফলে মিজানের মৃত্যু ঘটে। তদন্ন প্রতিবেদনে জানা যাচ্ছে যে এই বিস্ফোরণের মূল কারণ চার্জিং কেন্দ্রের গ্রাহকদের বেশি জন্য নির্ধারণ করা হয়নি।
মিজানুর রহমান ছিলেন সোনিয়া মার্কেট অঞ্চলে স্টক লটের ব্যবসা করতেন। তিনি আশুলিয়া এলাকায় আলীমের বাসায় ভাড়া নিয়ে বাসা বসিয়েছিলেন। আরও জানা যায় যে তিনি চার্জিং পরবর্তী চেক করেননি এবং আসবাবপত্রের সাথে মোবাইল ফোন বিস্ফোরণের কারণ খুঁজতে স্থানীয় মানুষ প্রতিক্রিয়া দেখায়। কিছু শোকার্পণ করেন যে অনেক আসবাবপত্র ও মোবাইল ফোন পুড়ে যাওয়ায় ঘটনার চারপাশে নিরাপত্তি করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন যে বিস্ফোরণের সময় আসবাবপত্র ও মোবাইল ফোন চার্জিং করছিল। সেই সময় রুমে অনেক গ্রাহক ছিলেন এবং তারা আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য একত্র হন। মোবাইল ফোন বিস্ফোরণে