যমুনা নদীর নতুন ভাঙনে শিক্ষা কেন্দ্রের আশ্বাস
ব ধ র ওপর প ঠদ ন – বাঁধের ওপর পাঠদান চালিয়ে আসছে বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে ষষ্ঠবারের মতো নদী পার্শ্বে বিলীন হয়ে এখন চকরতিনাথ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। গত ১৬ মে নদীর ভাঙনে স্কুলটি ভাঙনের শিকার হয়ে প্রাথমিক শিক্ষার দুই শিফটে কোমলমতি শিশুদের পড়াশোনা অব্যাহত রাখার জন্য সাময়িকভাবে বাঁধের ওপর পাঠদান পরিচালিত হচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমাইয়া ফেরদৌস মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে স্কুলটি পরিদর্শন করেন।
নদীভাঙনের প্রতিক্রিয়া এবং পুনঃস্থাপনের প্রক্রিয়া
বাঁধের ওপর পাঠদান চালিয়ে আসছে বিদ্যালয়টি যখন নদীর ভাঙনের কারণে স্থায়ী ক্যাম্পাস স্থাপনের জন্য নিরাপদ জায়গা খুঁজে বার করছে উপজেলা প্রশাসন। কমিটি গঠন করা হয়েছে নতুন জায়গা পাচ্ছে সেই বিদ্যালয় এবং স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অফিসার বলেন, চরের ওই স্থানটি কিছুটা নিচু হওয়ায় তাৎক্ষণিক সমাধানের জন্য বাঁধের ওপর পাঠদান চলছে।
“বাঁধের ওপর পাঠদান পরিচালনা করে আমরা স্কুলটির পড়াশোনা বাঁচিয়ে রাখার প্রচেষ্টা করছি। এই বিলীন হওয়া সেই বিদ্যালয় নিরাপদ জায়গা খুঁজে বার করেছি এবং নতুন স্থানে কাজ চালিয়ে আসছি। আজ ইউএনও বাঁধের ওপর পাঠদান চালিয়ে আসছে স্কুলটির নতুন স্থাপনের জন্য মাটি ভরাটের দায়িত্ব দিয়েছেন।”
যমুনা নদীর ভাঙনে স্কুলটি ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনা বিচ্ছিন্ন হয়েছে। সারিয়াকান্দি এলাকায় বাঁধের ওপর পাঠদান করার জন্য উপজেলা প্রশাসন প্রাথমিক শিক্ষার জন্য নতুন স্থান খুঁজে বার করছে। এই পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে এবং সরকারি বরাদ্দ বিলীন হওয়া সেই বিদ্যালয় জনগণকে অবিলম্বে সহায়তা প্রদানের আশা রেখেছেন।
এই বিলীন হওয়া সেই বিদ্যালয় স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে যে ঐতিহ্যবাহী এই স্কুলটি ১৯১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত। নদীভাঙনের মুখে এখন স্কুলে মাত্র ৭৪ জন শিক্ষার্থী টিকে আছে। তাদের পড়াশোনা সাময়িকভাবে বাঁধের ওপর চলছে। ভাঙনের শিকার হওয়া স্কুলটি বাঁচানোর জন্য উপজেলা কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট