ফরিদপুরে সমকামিতার অভিযোগে তিন যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ
ফর দপ র সমক ম ত র – ফরিদপুর শহরে একটি ছাত্রাবাসে সমকামিতার অভিযোগে তিন যুবককে পুলিশ আটক করেছে। ঘটনাটি শনিবার (২০ জুন) বিকালে কমলাপুর মহল্লার চানমারী এলাকায় ঘটে। পুলিশের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ছাত্রাবাসে সাধারণ শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীদের হাতে প্রথমে পাঁচ ছাত্রকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে তিন জনকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়।
এছাড়া মেসের বোর্ডার হাসান রাজ ও আরিয়ান নামে দুই ছাত্রকে আটক করে এলাকাবাসী প্রথমে ধরেছিল। কিন্তু তাদের পরিবারের দাবিতে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘটনার প্রতিবেদন অনুযায়ী, হাসান রাজ গত ১০ দিন আগে রাজেন্দ্র কলেজের ইংরেজি বিভাগের ছাত্র হিসেবে চানমারীতে মেসে ওঠেন। মেসে আসার পর থেকে তার পরিচালনার কিছু সন্দেহ জন্ম হয়।
একটি ঘটনায় হাসান রাজ মেসের অন্য ছাত্রকে সমকামিতার প্রস্তাব দেন। এতে সম্পূর্ণ খবর ছাত্রদের কাছে পৌঁছে যায়। গত শুক্রবার রাতে হাসান রাজকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সে সমকামিতার কথা স্বীকার করেন। তার মোবাইল চেক করে ফেসবুকে ভুয়া আইডি দিয়ে চালানো গে গ্রুপের সন্ধান পাওয়া যায়। পরে মেসের ছাত্ররা হাসান ও আরিয়ানকে ব্যবহার করে গ্রুপের তিন সদস্যকে মেসে আসার আমন্ত্রণ জানায়।
ফরিদপুরের একটি এনজিওতে রক্ত পরীক্ষা করতে গিয়ে বাবু খান সমকামী চক্রের ছেলেদের সঙ্গে পরিচয় গড়ে ওঠে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এই চক্রে জড়িত ছিলেন।
শনিবার দুপুরে জিহাদ হোসেন, বাবু খান ও কৃষ্ণ মন্ডল মেসে আসেন। তাদের হাতেনাতে আটক করে কোতোয়ালি থানার পুলিশ দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিন জনকে থানায় নিয়ে যায়। খবর পেয়ে উপপরিদর্শক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম নেতৃত্বে পুলিশ দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে ছাত্রদের আটক করে।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান বলেন, তিনজনকে আটক করে এবং থানায় আনা হয়েছে বিষয়টি খবর পেয়ে। তবে এই ঘটনায় এখনো কোনো পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ প্রকাশ করা হয়নি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আটক বাবু খান জানান, তার স্ত্রীসহ দুই মেয়ে ও দুই ছেলে রয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সমকামী চক্রে জড়িত ছিলেন। রাজেন্দ্র কলেজের ছাত্র জিহাদ হোসেন বলেন, হাসান রাজের সঙ্গে তিনি ফেসবুকে পরিচিত। গত এক বছর ধরে তিনি এ কাজে সম্পৃক্ত। কিন্তু হাসান রাজের সঙ্গে এ