Country

প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, পুলিশ হেফাজতে স্বামী

প্রবাসী স্ত্রীর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার, পুলিশ স্বামীকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে প রব স র স ত র - প্রবাসী স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পাবনা সদর থানার পুলিশ

Desk Country
Published June 24, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Table of Contents
  1. প্রবাসী স্ত্রীর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার, পুলিশ স্বামীকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে
  2. ঘটনার পটভূমি এবং পরিবারের ঝগড়া

প্রবাসী স্ত্রীর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার, পুলিশ স্বামীকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে

প রব স র স ত র – প্রবাসী স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পাবনা সদর থানার পুলিশ কর্তৃপক্ষ তার স্বামী হুমায়ুন কবীরকে হেফাজতে গ্রেফতার করেছে। ঘটনার তদন্তে নিহতের স্বামীকে প্রাথমিক বিশ্লেষণের জন্য আটক করা হয়। ঘটনার স্থান হলো পাবনা সদর উপজেলার দোগাছী ইউনিয়নের চিথলিয়া এলাকা, যেখানে হুমায়ুন কবীর সৌদিপ্রবাসী হওয়ায় তাঁর স্ত্রী পাপিয়া খাতুনের মৃতদেহ বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে তার স্বামীর বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি পাবনা সদর থানার অপারেশন পরিদর্শক সঞ্জয় কুমার সাহা নিশ্চিত করেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে যে হুমায়ুন কবীর এবং পাপিয়া খাতুনের ঝগড়া চলছিল এবং তার প্রতিবেশী আব্দুর রশিদ শেখের মেয়ে হিসেবে তাঁর সম্পর্ক রয়েছে।

ঘটনার পটভূমি এবং পরিবারের ঝগড়া

পাপিয়া খাতুন সৌদিপ্রবাসী হুমায়ুন কবীরের স্ত্রী এবং প্রতিবেশী আব্দুর রশিদ শেখের মেয়ে। তিনি দুই সন্তানের জননী হিসেবে পরিচিত। বিয়ে হয়েছিল প্রায় ২০ বছর আগে, কিন্তু এই সময়টি থেকে তাদের মধ্যে পরিবারিক বিরোধ বৃদ্ধি পেয়েছিল। সৌদি আরবে কাজের জন্য বিদেশে যাওয়ার পর হুমায়ুন কবীর তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে পরিবারিক ঝগড়া বৃদ্ধি করেছিলেন। কলহ ঘটেছিল বিভিন্ন সময়, যার পরিণতি হিসেবে ঈদুল আজহার আগে তিনি ছুটিতে বাড়ি ফেরেন। তবে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ ওঠে। এই ঝগড়া দীর্ঘ সময় চলতে থাকায় পরিবারে সম্পৃক্ত মারামারি ঘটেছিল।

গত কাল মঙ্গলবার ঘটনার পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছিল। পরিবারে তীব্র কলহ ছড়িয়ে পড়েছিল। বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পাপিয়াকে বাড়ির ছাদে কাপড় শুকাতে রাখা হয়। সেই সময় থেকে তাকে খুঁজে পাওয়া যায় না। পরে স্বজনরা তার নিজ কক্ষে দরজা ভেঙে ঝুলন্ত অবস্থায় মৃতদেহ দেখতে পায়। পুলিশ তদন্তে তার বিষয়টি নিশ্চিত করেন যে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবেশী আব্দুর রশিদ শেখ ও তাঁর পরিবার অবশ্যই প্রবাসী স্ত্রীর মৃতদেহ উদ্ধারের প্রক্রিয়ায় সহায়তা করেছেন।

আমার ভাতিজি অত্যন্ত ধার্মিক ও ভালো মনের �

Leave a Comment