পুশ-ইন রোধে জনগণের সহযোগিতা চাইছেন ইউএনও
প শ ইন ঠ ক ত ব – পুশ-ইন ঠেকাতে বিজিবির পাশাপাশি জনগণের সহযোগিতা চাইছেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান। তিনি মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টায় ধলাহার ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় পুশ-ইন রোধের জন্য সম্প্রদায়ের সহযোগিতা আহ্বান করেন। এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে তিনি জনগণের সাথে একত্রে তথ্য সংগ্রহ ও প্রকাশের কাজে যুক্ত হতে আহ্বান জানান। তিনি ঘোষণা করেন যে বিজিবির পেশাদারিত্ব সত্ত্বেও সীমান্ত বিষয়ক সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়, তাই সাধারণ মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।
পুশ-ইন রোধে জনগণের ভূমিকা
এই পুশ-ইন ঠেকাতে বিজিবি সংগঠনের পাশাপাশি জনগণের সহযোগিতা অপরিহার্য বলে ইউএনও মাহমুদুল হাসান জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে পুশ-ইন একটি গুরুতর সমস্যা হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে যেহেতু এটি সীমান্ত বিষয়ক ধীরগতি ও বিশেষ করে জনগণের কাছে অস্থিরতা সৃষ্টি করে। এই বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যদের নিয়ে আলোচনা করে তিনি বিজিবি এবং ইউএনও সংগঠনের সাথে সম্পাদন করেছেন একটি বিশেষ প্রতিশ্রুতি। জনগণের সাথে সমন্বয় করে পুশ-ইন রোধে সংগঠিত করা হবে একটি স্থায়ী পরিষদ যেখানে সদস্যদের সংখ্যা বৃদ্ধি করে প্রতি পরিবারের নিয়মিত অংশগ্রহণ চাইছেন।
পুশ-ইন সম্পর্কে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তোজাম্মেল হোসেন বলেন, এই প্রক্রিয়ায় সদর উপজেলার বাসিন্দাদের অস্থিরতার কারণ হতে পারে। তিনি বিজিবি ও ইউনিয়ন পরিষদের কর্মীদের সাথে বৈঠকে পুশ-ইন রোধে একটি বৃহৎ সম্মিলিত প্রচেষ্টা গড়ে তোলার জন্য যুক্ত হয়েছেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ভুটিয়াপাড়া ক্যাম্পের নায়েক সুবেদার জহুরুল ও কড়িয়া ক্যাম্পের নায়েক সুবেদার মং। তাদের সাথে আনসার ভিডিপির কর্মীরা যুক্ত হয়ে সভায় অংশ গ্রহণ করেছেন।
পুশ-ইন এর চালু হওয়া প্রক্রিয়া
পুশ-ইন সম্পর্কে বিজিবি ও ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যদের সাথে আলোচনার পর ইউএনও মাহমুদুল হাসান ঘোষণা করেন যে সমস্যাটি প্রতিদিন ক্রমাগ্রাহ্য হওয়া শুরু করেছে। তিনি বলেন, বিজিবি সদস্যদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের বিশেষ করে উপজেলার কর্মীদের সহযোগিতা ছাড়া পুশ-ইন রোধ করা সম্ভব নয়। তিনি উল্লেখ করেন যে বিজিবি সম্প্রতি এ ক্ষেত্রে বিশেষ করে আপেক্ষিক সমস্যা সমাধান করছে যার কারণে জনগণের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়া সম্পর্কে আলোচনা করে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের দ্বারা সীমান্ত প্রতিরোধের জন্য তথ্য বিনিময় ও স্থানীয় প্রতিক্রিয়া গ্রহণ করা প্রয়োজন।
পুশ-ইন রোধের জন্য ইউএনও ও বিজিবি সংগঠনের কর