পরকীয়া সন্দেহে ছেলের সামনে মাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, ৩ নারী আটক
পরক য় সন দ হ ছ ল – কক্সবাজার পৌরসভার পাহাড়তলী এলাকায় এক নারীকে পরকীয়া সন্দেহে ছুরিকাঘাত করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) রাতে দলবল নিয়ে বাসায় ঢুকে রেশমার ১২ বছর বয়সী ছেলের সামনে তাকে ছুরিকাঘাত করে বলে জানা গেছে। নিহত রেশমা কক্সবাজার পৌরসভার পাহাড়তলী ঠান্ডা মিয়ার মেয়ে এবং তসলিম উদ্দিন ইমনের আগে স্ত্রী ছিলেন। তিনি সন্তান নিয়ে টেকপাড়া জনতা সড়কের বিসমিল্লাহ ভবনে ভাড়া থাকতেন।
পুলিশ বলেছেন, ঘটনার সময় রেশমার স্ত্রী ইয়াসমিন তার সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্ক রয়েছে বলে সন্দেহ করতেন। ওই সন্দেহের জেরে তিনি মেয়েদের সঙ্গে নিয়ে রেশমার বাসায় আসেন। সেখানে বাগবিতণ্ডা ও কথার যুদ্ধের পর তারা ছুরিকাঘাত করে। রেশমাকে আহত অবস্থায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করে পুলিশ তার মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তবে ছেলে সাব্বিরের চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে আসে এবং আহতকে হাসপাতালে নিয়ে যান।
“স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, রেশমার সঙ্গে শফিউল আলম সওদাগরের পরকীয়া সম্পর্ক রয়েছে বলে সন্দেহ করতেন তার স্ত্রী ইয়াসমিন। এ সন্দেহের জেরে ইয়াসমিন তার মেয়েদের সঙ্গে নিয়ে রেশমার বাসায় যান। সেখানে রেশমার সঙ্গে তাদের কথা কাটাকাটি ও বাগবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে ইয়াসমিন ছুরিকাঘাত করেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে,” বলে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ আলী জানান।
নিহতের বাসায় কাজ করা আনোয়ার বলেছেন, পূর্বের পারিবারিক বিরোধ ও ব্যক্তিগত সম্পর্কের জেরে হামলা পরিকল্পিতভাবে চালানো হয়েছে। তিনি দাবি করেন যে কয়েকজনের প্ররোচনায় সংঘবদ্ধভাবে হামলা ঘটেছে। ঘটনার পর তিন নারীকে পুলিশ আটক করেছে। তারা হলেন- চট্টগ্রামের সাতকানিয়া দিয়াকুল এলাকার শফিউল আলমের স্ত্রী ইয়াছমিন আক্তার (৩৫), তার দুই মেয়ে তানিশা সুলতানা (১৯) ও আসমাউল হুসনা (১৪)। তারা বর্তমানে কক্সবাজার সদরের পেশকার পাড়ায় বসবাস করেন।
রেশমা দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় মুদি দোকানি শফিউল আলম সওদাগরের দোকান থেকে কেনাকাটা করতেন। এ সুবাদে তার সঙ্গে পরিচয় ও ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। যা বাড়াবাড়ি পর্যায়ে পৌঁছায়। ব্যবসায়ী শফির বাসায় পারিবারিক কলহ হয় এবং পরে কয়েকজন নারী বাসায় ঢুকে রেশমার মাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে। ঘটনার সময় রেশমার ছেলে সাব্ব