নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও সুন্দরবনে মৌয়াল, মধুসহ আটক ১১
টানা তিন মাসের সুন্দরবন প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে প্রাণ ও প্রকৃতির রক্ষার জন্য
ন ষ ধ জ ঞ র মধ – নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও সুন্দরবনে মৌয়াল এবং মধু সহ অপরাধী আটক হয়েছে। ১২ জুন শুক্রবার সকালে গহীন সুন্দরবন থেকে সাতক্ষীরা রেঞ্জের টেংরাখালী টহল ফাঁড়ির সদস্যরা দুটি নৌকাসহ আটক করে। তাদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতির রক্ষা করার জন্য যে কোনও অপরাধ তাদের প্রতি সংঘটিত হতে পারে।
সম্প্রতি গ্রেপ্তার করা হয়েছে মৌয়ালদের জোড়া
আটক করা মৌয়ালদের নাম হলো—শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের সোরা গ্রামের বানছার উদ্দীন গাজীর ছেলে মো. আমজাত হোসেন (৬৪), হাকিম শেখের ছেলে মো. কামরুল শেখ (৪৫), মতিয়ার রহমানের ছেলে আল-আমিন (৪০), আছান হাবিব (৩৫), মো. রাব্বানী (৩৫), মো. হায়াত আলী গাজী (৫৫), মো. মোবারক শেখ (৩২), মো. বাবলু রহমান (৩০), মো. মনিরুল খাঁ (৩৮), মো. আবিয়ার মালী (৪৫) ও মো. কবিরুল ইসলাম (৪৫)। তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে যেহেতু তারা সুন্দরবন প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করেছিল।
তাদের বিরুদ্ধে মামলার পর আদালতে পাঠানো হয়েছে। পাসের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও তারা সময়মতো ফিরতে পারেনি বলে অভিযোগ দাবি করেন সহকারী বন সংরক্ষক মশিউর রহমান। তিনি বলেন, টেংরাখালী টহল ফাঁড়ির পিনমারি খাল এলাকা থেকে ১ হাজার কেজি মধু ও দুটি নৌকাসহ মৌয়ালদের আটক করা হয়েছে। তাদের দালাল জালাল মোল্লার মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে সুন্দরবনে প্রবেশ করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
প্রকৃতির রক্ষা নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে সাধ্য হয়েছে
জালাল মোল্লা জানান, গত ১৫ মে বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন থেকে তিনটি নৌকার পাস করিয়ে তাদের মধু আহরণের জন্য সুন্দরবনে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু সেখানে দুটি নৌকা বনদস্যুদের কবলে পড়ে। পাসের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও তারা আইনের দৃষ্টিতে অবৈধ হয়ে গেছে।
তিনি আরও দাবি করেন, অতিরিক্ত সময়ের জন্য সরক