Country

‘দেশের জন্য জান দিতে পারি কিন্তু এক ইঞ্চি মাটিও ছাড়বো না’

দেশের জন্য জান দিতে পারি কিন্তু এক ইঞ্চি মাটিও ছাড়বো না দ শ র জন য জ ন - বিএসএফের চেষ্টা করে পুশ-ইন করতে গিয়ে সীমান্ত পাহারা দেওয়ার জন্য জামালপুরের

Desk Country
Published June 12, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

দেশের জন্য জান দিতে পারি কিন্তু এক ইঞ্চি মাটিও ছাড়বো না

দ শ র জন য জ ন – বিএসএফের চেষ্টা করে পুশ-ইন করতে গিয়ে সীমান্ত পাহারা দেওয়ার জন্য জামালপুরের বকশিগঞ্জ এলাকায় বিজিবি ও স্থানীয় বাসিন্দারা একত্র হয়ে দাঁড়িয়েছেন। কারও বয়স দশ বছর, আবার কারও শরীর বয়সের ভারে নুয়ে পড়েছে। কিন্তু দেশের সীমান্ত সুরক্ষা প্রতিহত করতে সবাই এক অপরিহার্য প্রাচীর।

১২ জুন সকালে সীমান্তে বিজিবির কঠোর টহল চলছে। উসকানি ও পুশ-ইন বন্ধ রেখে স্থানীয় সম্প্রদায় এবং বিজিবির মধ্যে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক অবস্থা তৈরি হয়েছে। যারা সীমান্ত এলাকা ছেড়ে ফিরেছেন তারা কোনো ঘটনা ঘটলে তাড়াতাড়ি আবার বিজিবির সম্মুখে আসতে প্রস্তুত।

যতক্ষণ আমরা আছি, সীমান্ত দিয়ে কোনো অবৈধ অনুপ্রবেশ ঘটতে দেবো না’ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সরেজমিনে দেখা যায়, ষাটোর্ধ্ব বয়স্ক গ্রামবাসীরা সীমান্ত রেখায় দাঁড়িয়েছেন সবাই।

৮ জুন ভোরে বিএসএফের দুই পয়েন্টে সাত ব্যক্তিকে বাংলাদেশে পুশ-ইন করার চেষ্টা করে। তাদের সীমান্তের বিপরীত পাশে ফ্লাডলাইট বন্ধ করে দেয় বিএসএফ। কিন্তু বিজিবির কঠোর পাহারা এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্কতার কারণে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়।

৯ জুন ভোরে সেই সীমান্তে পুনরায় আটকে পড়েন ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মন (৬৭) বৃদ্ধ। তিনি রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার চাঁন্দলাই গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতা বাবু চন্দ্র বর্মন এবং মা কমলা রানী। তার জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য অনুযায়ী তিনি ১৯৫৮ সালের ১০ জুলাই জন্মগ্রহণ করেছেন। এখন সীমান্তের পরিস্থিতি কঠোর ভাবে বাঁধা হয়েছে।

১০ জুন বিকেলে ভারতের কয়েকজন নাগরিক বাংলাদেশি মানুষকে ইট ছুড়ে ধাক্কা দেয়। দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু করে। তবে বাংলাদেশি বাসিন্দারা প্রতিরোধ করে ভারতীয়দের পিছনে পালিয়ে যেতে হয়।

‘এই মাটি মায়ের মতো। বিএসএফ অন্যায়ভাবে মানুষ পুশ-ইন করবে আর আমাদের ওপর ঢিল ছুড়বে, তা মেনে নেওয়া যায় না। বিজিবি ভাইদের একা কেন ছাড়বো?’

১০ জুন সকালে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা চলে। পতাকা বৈঠকের পর সীমান্তে উত্তেজনা আবার বাড়তে থাকে। তবে বাংলাদেশিরা সবসময় সতর্ক থাকবেন বলে জানান সজিব খান। তিনি বলেন, ‘বিজিবির নির্দেশনা মেনে চলছি এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় সবাই সীমান্ত ছেড়ে ফিরেছি। �

Leave a Comment