তনু হত্যা মামলায় সাবেক দুই সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি, ইন্টারপোলে রেড নোটিশ প্রক্রিয়া শুরু
তন হত য ম মল স ব – কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১ এর বিচারক মুমিনুল হক সোমবার (৮ জুন) বিকেলে তনু হত্যা মামলায় দুই সাবেক সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। আদালত আরও নির্দেশ দেয় যে তাদের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারি করা হবে।
সরকারি কৌশুলি (পিপি) মো. কাইমুল হক রিংকু রাত সেয়া ৯টায় নিশ্চিত করেন যে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে সাবেক সেনাসদস্য জাহিদুজ্জামান এবং শাহীন আলমের বিরুদ্ধে। দুই ব্যক্তি বর্তমানে দেশের বাইরে পলাতক রয়েছেন।
মামলার তদন্ত ও নতুন তথ্যের প্রকাশ
পিবিআই পরিদর্শক তরিকুল ইসলাম আদালতে আবেদন করেন যে তনু হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে সেনাবাহিনীর সম্পৃক্ততা থাকলে তা আরও খতিয়ে দেখার আহ্বান জানানো হয়েছে। তিনি আবেদনে জানান যে তনুর পোশাক থেকে পাওয়া নমুনায় আরেকজন ব্যক্তির সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। নতুন তথ্যের সাথে পুরোনো তিনজনের শুক্রাণু পরীক্ষার ফলাফল মিলিতে চারজনের রক্ত নমুনা মিলেছে।
তিনি বলেন, ‘সামনে আসা নতুন তথ্যে মামলার আগেকার প্রমাণ কিছুটা পরিবর্তিত হয়েছে। ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে তনুর পোশাকে চারজন ব্যক্তির নমুনা মিলেছে।’
এদিকে, মামলার অন্য আসামি হাফিজুর রহমানকে সোমবার বেলা ১১টার দিকে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। হাফিজুর রহমানের পক্ষে কোনো জামিন আবেদন করা হয়নি। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
হাফিজুর রহমান সেনাবাহিনীর সাবেক সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার। তিনি ২০২৩ সালে সেনাবাহিনী থেকে অবসর নেন। গত ২১ এপ্রিল তাকে ঢাকার কেরানীগঞ্জে গ্রেফতার করা হয়। মামলার আগে তিনি কুমিল্লা সেনানিবাসে কর্মরত ছিলেন।
২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় সেনানিবাসের ভেতরে এক বাসায় টিউশনি করতে গিয়ে তনু ফিরে আসেননি। পরে খোঁজাখুঁজি চালানো হয় এবং জঙ্গলে মরদেহ পাওয়া যায়। পরদিন তার বাবা ইয়ার হোসেন অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।
প্রথম পর্যায়ে পুলিশ তদন্ত