Country

ঢল ও পাহাড় ধসে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ, আশ্রয়কেন্দ্রে দুই শতাধিক পরিবার

ঢল ও পাহাড় ধসে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ, আশ্রয়কেন্দ্রে দুই শতাধিক পরিবার ঢল ও প হ ড় ধস সড়ক - খাগড়াছড়ি জেলায় অত্যন্ত ভারী বৃষ্টির কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে

Desk Country
Published July 8, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ঢল ও পাহাড় ধসে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ, আশ্রয়কেন্দ্রে দুই শতাধিক পরিবার

ঢল ও প হ ড় ধস সড়ক – খাগড়াছড়ি জেলায় অত্যন্ত ভারী বৃষ্টির কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। নদীগুলো ভারী পানি ধরে উপজেলার নিম্নাঞ্চল জলাবদ্ধ হয়েছে। সড়ক পথ চলাচলে বাধা হয়েছে পাহাড়ি ঢল এবং ঢুকে পড়া পানির কারণে। দীঘিনালা-সাজেক সড়কের কবাখালি অংশ এবং খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা-লংগদু সড়কের মেরুং অংশ বন্ধ হয়ে গেছে।

অনেক মানুষ ও গবাদি পশুকে নিরাপদ আশ্রয় নেওয়া হচ্ছে। মেরুং ইউনিয়নের হেডকোয়ার্টার ব্রিজ এবং সড়কের বিভিন্ন অংশ পানির নিচে তলিয়ে গেছে। বড় মেরুং, বামে আটারকছড়া ও তেঁতুল এলাকাতেও সড়ক ডুবে রয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেল থেকে দীঘিনালার সঙ্গে লংগদু সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। শুধু দূরপাল্লার যানই নয়, স্থানীয় বাসিন্দারাও যাতায়াতে বাধা পেয়েছেন। কেউ কেউ কোমর পর্যন্ত পানিতে ভিজে পথ পাড়ি দিতে দেখা গেছে।

ঢুকে পড়া পানি ছড়া ও খালের মাধ্যমে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। মাইনী ও চেঙ্গী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেক সড়ক ও বসতবাড়িতে পানি ঢুকে পড়ায় বাসিন্দারা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় দুর্যোগ টিম গঠন করেছি। মেরুং রাজার সংলগ্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ২৫ পরিবারসহ উপজেলার অন্যান্য আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে শতাধিক পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। জনপ্রতিনিধিদের নিজ এলাকার আশ্রয় কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মেডিকেল টিম, ফায়ার সার্ভিস টিম ও রেড ক্রিসেন্ট সদস্যদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে দ্রুত সাড়া দেওয়ার জন্য। উপজেলায় ২১টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। মেরুং এলাকায় শতাধিক পরিবার আশ্রয় নিয়েছে মঙ্গলবার রাতে। তাদের খাবার ও সুপেয় পানি দেওয়া হচ্ছে।

আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে শুকনো খাবারসহ প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া আছে। জেলা প্রশাসন পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারী পরিবারদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে যেতে বারবার অনুরোধ করছে। জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত বলেন, জেলায় ১৩৫ টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে দুই শতাধিক পরিবার আশ্রয় নিয়েছে তবে এই পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।

Leave a Comment