কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীত করার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
কক সব জ র চট টগ র – প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক উন্নতি প্রকল্পের মূল্যায়ন করে এ ঘোষণা করেন যে আগামী বছরগুলোতে এটি সাত লেনে উন্নীত করা হবে। কক্সবাজার জেলার চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনালে আয়োজিত জনসভায় তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে এই মহাসড়কের গুরুত্ব বৃহৎ পরিমাণে আবেদন করা হবে। এ প্রকল্পের সফলতা দেশের পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধতা প্রতিষ্ঠা করতে সাহায্য করবে। লবণ চাষীদের জন্য ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার বিষয়টি তিনি কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক উন্নতি প্রকল্পের একটি অংশ হিসেবে বিবেচনা করেন।
মহাসড়ক উন্নতি ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিস্তার
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন যে কক্সবাজারে দুই দশক আগে প্রতিষ্ঠিত মহাসড়কটি এখন বেশ কিছু জায়গায় অপরিবর্তিত অবস্থায় রয়েছে। তিনি আবেদন করেন যে কক্সবাজার জেলার উন্নয়ন প্রকল্পগুলোতে আরও নীতি গ্রহণ করা দরকার। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপজেলা স্তরে সবাইকে স্বাস্থ্য সেবার জন্য আবেদন করা হবে এবং কৃষি কার্ড এবং পরিবার কার্ডের বিতরণের ব্যবস্থা করা হবে। এ সব প্রকল্পের মাধ্যমে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক উন্নতি প্রকল্পের সম্পূর্ণ অর্থনৈতিক মাত্রা সুনিশ্চিত হবে।
তিনি বলেন, “আমি প্রথম দিন থেকে বলেছিলাম যে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক একটি বৃহৎ প্রকল্প হিসেবে পরিচালিত হবে। আগামী বাজেটে সব উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০০ শয্যার উন্নতি ঘোষণা করা হবে এবং ৪২ লাখ পরিবার কার্ড ও ৪০ লাখ কৃষি কার্ডের ব্যবস্থা করা হবে।”
উন্নতি প্রকল্পের স্থায়ী প্রভাব
এই ঘোষণার পরে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক উন্নতি প্রকল্পটি অর্থনৈতিক মূল্যে বেশ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। এ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করবে এবং মহাসড়ক দ্বারা প্রতিষ্ঠিত অর্থনৈতিক মূল্যের উন্নয়ন ঘটাবে। নিয়মিত বৃহৎ পরিমাণে গৃহীত এ প্রকল্প দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সমান প্রতিক্রিয়া আনবে। কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উন্নতি ঘটালে দেশের পরিবহন ব্যবস্থা আরও প্রতিক্রিয়া প্রদান করবে।
কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পটি এখন কয়েকটি দলের সম্মতি লাভ করেছে। এ উন্নতি ঘটানো হবে এবং গৃহীত করা হবে দেশের অর্থনৈতিক মূল্য। এ ঘোষণার মাধ্যমে সবাই কৃষি কার্ড এবং পরিবার কার্ডের বিতরণ ক