খানাখন্দে ভরা সড়কে ভোগান্তি বাড়িয়েছে বৃষ্টি
ক ষ ট য় য় খ ন – কুষ্টিয়ায় কুমারখালী শহর থেকে পান্টি বাজার পর্যন্ত গ্রামীণ সড়কটি মাত্র চার বছর ব্যাপী ভেঙে পড়ছে। এই সড়ক দ্বারা প্রতিদিন দুই থেকে তিন লাখ মানুষ চলাচল করেন। এই সড়কের ধারণ ক্ষমতা ১০ টন বলে প্রতিদিন শত শত বালুবাহী ড্রাম ট্রাক এবং ভারী যানবাহন চলছে যা তার জীবন প্রতিদিন খুঁটিনাটি করছে।
সড়কে পুকুরে রূপ নিয়েছে বৃষ্টির পানি
ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে মানুষ, কিন্তু অতিরিক্ত বোঝায় যানবাহনের কারণে সড়কের অবস্থা নিয়ন্ত্রণের বাইরে গিয়েছে। রাস্তার নানা জায়গায় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে যা বৃষ্টির পানি দিয়ে পুকুরের মতো আকৃতি নেয়। প্রতিদিন আকাঁবাঁকা সাপের মতো চলাচল করছে ছোট যানবাহনগুলো, কিন্তু ভাঙা সড়কে পানি জমে দুর্ঘটনা ঘটছে।
বিদ্যালয়ের সামনে বড় গর্তে পানি জমে যায়। শিক্ষার্থীদের পোশাক ভিজে যায়।
জোতমোড়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মাহমুদ শরীফ বলেন, অনেকদিন হলো সড়কের সামনে বড় গর্ত দেখা যাচ্ছে। বৃষ্টি হলেই পানি জমে দুর্ঘটনা ঘটে।
সংস্কার এলজিইডির সাড়াসাড়া নেই
২০২১ সালে সড়কটি পুনঃসংস্কার করা হয়েছিল। কিন্তু তার পর চার বছর মাত্র সড়কটি আবারও ভেঙে পড়ছে। উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী মো. নাজমুল হক জানান, অবৈধ যানবাহন চলাচল বন্ধ করে সড়কটি সংস্কার করা হবে।
রাস্তার সব জায়গা ভাঙা। ২০ মিনিটের পথ যেতে ৪০ মিনিট লাগে।
ভ্যানচালক আনোয়ার হোসেন বলেন, সড়কটি বেশকিছু স্থানে গর্তের মতো দেখা যাচ্ছে। এটি পুকুরের রূপ নেয় যেখানে গাড়িঘোড়া উল্টে দুর্ঘটনা ঘটছে।
অবৈধ ভারী যানবাহনের জন্য অভিযোগ তুলে ধরছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কুমারখালী উপজেলার মনিরুল ইসলাম বলেন, সড়কে অতিরিক্ত বোঝায় যানবাহন চলছে যা আরও বেশি সড়কের বিপর্যয় ঘটাচ্ছে। বালুর গাড়ি বন্ধ করে সড়ক সংস্কার করা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করছেন।
বালু বোঝায় বড় বড় ট্রাক চলাচলের কারণে দ্রুত সড়কটি নষ্ট হয়েছে।
জোয়াদ আলী মনে করেন, সড়কে বোঝায় যানবাহন চলাচলের কারণে নিরাপদ চলাচল করা বেশি কষ্টকর হয়ে উঠেছে। অনুরূপ অসংখ্য খানাখন্দে সড়ক আরও ভেঙে গেছে।
সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে সড়কটি অবৈধভাবে অতিরিক্ত বোঝায় যানবাহনের কারণে পুনঃসংস্কারের পর দ্রুত ভেঙে পড়ছে। আল-মামুন সাগর/এনএইচআর