কলেজ ছাত্রকে হত্যা করে ছুরিসহ থানায় হাজির স্কুলছাত্র
কল জ ছ ত রক হত য – লালমোহন থানার প্রান্তে ঘটে একটি জালানী ঘটনা সামাজিক মাধ্যমগুলোর চোখ আকর্ষণ করে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে ঘটনাটি ঘটে লালমোহন পৌর এলাকার সেলিম চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে সড়কে। এতে কলেজ ছাত্রকে হত্যা করে ছুরিসহ থানায় হাজির হয়েছে নাঙলখালী আব্দুল ওহাব মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র মো. আব্দুল্লাহ আল মানিক। তিনি লালমোহন ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের ফুলবাগিচা গ্রামে মো. আলাউদ্দিনের ছেলে। ঘটনার পর তিনি বুঝতে পারেন যে তার কাজ পরিষ্কার হয়েছে এবং স্থানীয় মানুষ বোঝার জন্য তিনি ছুরি নিয়ে থানায় আসেন।
হত্যার বিস্তারিত বিবরণ
নিহতের নাম মো. ইব্রাহীম খলিল নয়ন। তিনি ভোলার লালমোহন পৌর ছয় নম্বর ওয়ার্ডের মো. সালাউদ্দিনের ছেলে এবং ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র। স্থানীয়দের কাছে জানা গেছে যে ঘটনাটি কয়েকজন শিক্ষার্থী মধ্যে ঘটেছে। একটি বিতর্ক বা চোখে পড়া ঘটনা হতে পারে এমন কোনো কারণ না জানা ছাড়া নয়নকে ছুরি দিয়ে কোপানো হয়। নয়নকে বাঁচানোর চেষ্টায় মো. আশরাফ ও আরমান নামে দুই ব্যক্তি আহত হন। ছুরি ও গুলির দ্বারা আহত হওয়া দুই ব্যক্তির অবস্থা এখনও গুরুতর। পুলিশ তদন্ন চলছে বলে জানান হয়েছে যে তারা পাশাপাশি নিহত ও আহতদের নিয়ে তদন্ন চলছে।
পুলিশের বিবরণ এবং তদন্ন
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন মানিক। তিনি কলেজ ছাত্রকে হত্যা করে ছুরিসহ থানায় হাজির হন। পুলিশ তদন্নের মাধ্যমে ঘটনার প্রতিশোধ বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছে। তদন্ন পরিচালনা করছেন মো. অলিউল ইসলাম এবং তিনি নিশ্চিত করেছেন যে ঘটনাটি নিয়ন ও আল মানিকের মধ্যে ঘটেছে। সাথে সাথে তিনি সূচনা করেছেন যে আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এই ঘটনার পর পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা সরাসরি নিহত ও আহতদের সম্পর্কে কথা বলছেন। নিহত ছাত্র নয়ন কলেজে বর্তমানে তার কোনো সামাজিক সমস্যা না ছিলেও ঘটনাটি সামাজিক বিষয়ে তীব্র আলোচনা করছে। পুলিশ তদন্নের সময় কয়েকটি স্থানীয় ব্যক্তি প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন। ঘটনার জন্য মানিককে বিচার প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে যে �