আসামি মারা যাওয়ার ৫ বছর পর আপিলের রায়, মৃত্যুদণ্ড বহাল
আস ম ম র য ওয় র – আসামি মারা যাওয়ার পর পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়ার পর সংঘটিত হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ আপিল ও ডেথ রেফারেন্স শুনানি। শেরপুরে এক শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় মৃত্যুদণ্ড পেয়েছিলেন কান্তি মারাক। পাঁচ বছর পঁচিশ দিন আগে কাশেমপুর কারাগারে তাঁর মৃত্যু ঘোষণা করা হয়। হাইকোর্টের আপিল ও ডেথ রেফারেন্স বেঞ্চ তাঁর দণ্ড বহাল রেখেছেন। এই রায় প্রকাশের সময় আসামি মারা যাওয়ার ঘটনার প্রমাণ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে হাইকোর্টের প্রাসঙ্গিকতা কী হতে পারে তা বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
কেসের প্রাথমিক পটভূমি ও আসামি মারা যাওয়ার ঘটনা
২০১৩ সালের মার্চ শেরপুরে এক শিশু নিখোঁজ হয়। তদন্তে প্রতিবেশী কান্তি মারাকের ঘরে রক্ত দাগ ছাড়া হাফ প্যান্ট ও জামা উদ্ধার করা হয়। এ সাথে তাঁর বাড়ির পাশে পানি সেচের ড্রেন থেকে শিশুটির মৃত্যু ঘটনার প্রমাণ পাওয়া যায়। কান্তি মারাকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ তুলে নালিতাবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করা হয়। আদালতে তিনি দোষ স্বীকার করেন। এরপর দীর্ঘ দুই বছর সাত মাস ব্যাপী আপিল প্রক্রিয়া চলে। আসামি মারা যাওয়ার ঘটনার পর যে বিচারপতি তাঁকে ডেথ রেফারেন্সের আবেদন গ্রহণ করেন তার অবস্থা সম্পর্কে আমাদের কারাগারের দপ্তরগুলি কী করেছিল তা বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
আসামি মারা যাওয়ার ঘটনার পর প্রতিটি প্রমাণের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল রায় কীভাবে সামান্য ঘটনা হতে পারে তা বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ব্যক্ত করেন। কাশেমপুর কারাগারে মৃত্যু ঘোষণা হওয়ার পর আসামি মারা যাওয়ার বিষয়টি কীভাবে হাইকোর্টের নজরে আসে তা ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
কর্তব্যরত চিকিৎসক ও কারা কর্তৃপক্ষের ভূমিকা
“আসামি মারা যাওয়ার বিষয়টি অবশ্যই জানানো হয়েছিল বলে আমার ধারণা। কেননা আমাদের কারাগারে কেউ মারা গেলে চিঠি দিয়ে সব দপ্তরে জানিয়ে দেই। যেহেতু প্রায় ছয় বছর আগের ঘটনা, তখন যিনি দায়িত্বে ছিলেন তিনি ভালো জানেন।”
মো. নাঈম ইসলাম কর্তব্যরত চিকিৎসক হিসেবে আসামি মারা যাওয়ার পর প্রতিটি সংঘটন কীভাবে সামান্য হয়ে যায় তা বর্ণনা করেন। তিনি আসামি মারা যাওয়ার ঘটনার পর তাঁর মৃত্যু ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে অনুমান দেন। কারা কর্তৃপক্ষ তাঁর মরদেহটি পরিবারে হস্তান্তর করে