সামাজিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা: আমাদের মনের স্বাস্থ্য কেমন আছে
স ম জ ক ও অর থন – প্রবাহিত সামাজিক অস্থিরতার প্রভাব সমাজের মানসিক পরিবেশ বদলে যেতে বাধ্য করে। এই সমস্ত চাপ সামাজিক সংবেদনশীলতাকে নেভে দিয়ে মানুষ ভোগ করে স্বার্থপরতা ও দুর্বলতার কারণে। এমন সময়ে কোনো জাতি অপরাধে আঘাত পায়, ভয় করে এবং নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে। যেমনটা ঘটছে আমাদের ক্ষেত্রে।
আমাদের দেশে প্রতিদিন এমন ঘটনার শ্রেণী বাড়ছে, যা কল্পনার বাইরে ছিল। বারবার ঘটার আতঙ্ক, ভয় ও দুঃখ আমাদের মনকে এমন অবস্থায় আনে যে সুস্থ সমাজের লক্ষণ কে খুঁজে পাওয়া যায় না। তার মানে হচ্ছে, আমরা মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।
মানসিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক
বাংলাদেশের জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে প্রায় তিন কোটি মানুষ কোনো না কোনো মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। তাদের মধ্যে প্রাপ্তবয়স্কদের ১৮.৭ শতাংশ ও শিশু-কিশোরদের ১২.৬ শতাংশ আক্রান্ত। প্রতি পাঁচজনের মধ্যে অন্তত একজন মানসিক সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকে।
সিএনএন জানিয়েছে, চিকিৎসাবিষয়ক সাময়িকী ‘দ্য ল্যানসেট’-এ প্রকাশিত গবেষণায় দেখা গেছে উদ্বেগ ও বিষণ্নতার হার বিশ্বে বেশি বেড়েছে। বিভিন্ন ব্যক্তিত্বজনিত মানসিক সমস্যার হার তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে।
এই বিপাকের প্রভাব অনেকটা বিশ্বের সামাজিক অস্থিরতার চেয়ে ছোট নয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০২১ সালে বলেছিল যে ২০৩০ সাল পর্যন্ত মানসিক সমস্যা পৃথিবীতে রোগের প্রধান কারণ হয়ে উঠবে। সে সময়ে বছরে প্রায় এক লাখ পঁচিশ মানুষ আত্মহত্যা করে মারা যাবে। সেই সময়টা আর চার বছর বাকি।
আসলে বাংলাদেশে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়টি আরও ঘুরে ফিরে দেখা যাচ্ছে। অনেকে মনে করেন যে মানসিক রোগ কিছু নেই। অজ্ঞতা ও কুসংস্কারের কারণে এই রোগের শুরুতে চিকিৎসা নেন না অনেকে। দেশে নিবন্ধিত মানসিক রোগী বিশেষজ্ঞের সংখ্যা মাত্র ত্রিশ শত থেকে ত্রিশ দশক �