মালয়েশিয়ায় মানবপাচার, দুই বাংলাদেশিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন
ম লয শ য য ম নবপ – ম লয শ য য ম এর অভিবাসন বিভাগ সম্প্রতি একটি গুরুতর মানবপাচার কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত জায়া এলাকায় দুই বাংলাদেশিসহ মোট পাঁচ বিদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করেছে। মালয়েশিয়ার আইনের তদন্তে আবিষ্কার হয়েছে যে এই অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজন ইন্দোনেশিয়ান নাগরিক এবং দুই বাংলাদেশি রয়েছে। মামলাগুলো অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং সেগুলো উচ্চ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মানবপাচার অপরাধের প্রমাণ পেল পুলিশ
মালয়েশিয়ার পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে যে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অবৈধ অভিবাসীদের ট্রানজিট হোমে আশ্রয় দেওয়া এবং চোরাচালান চক্রে যুক্ত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। অভিযুক্তদের সাথে সম্পর্কিত অপরাধের বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য পেলে মামলাগুলো আরও গুরুতর হতে পারে। মালয়েশিয়ায় মানবপাচার চালানো হয় যখন এই ক্ষেত্রে অভিযুক্তদের মাধ্যমে চোরাচালান করা হয়েছে।
গত ৭ মে এলাকায় সামগ্রিক অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশি অভিবাসীদের উদ্ধার করা হয়েছে। প্রতিবেশী দেশগুলোর মালয়েশিয়ায় সামগ্রিক সমস্যার কারণে এ ধরনের অপরাধের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। মামলার বিষয়ে একটি সাধারণ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে ম লয শ য য ম গবেষণা বিভাগ কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড প্রয়োগ করবে যথাসাধ্য। এ সম্পর্কে তদন্তের প্রক্রিয়া প্রায় পঁচিশ দিনের মধ্যে সমাপন করা হবে।
অপরাধের বিষয়ে স্পষ্ট আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে
মামলাগুলোতে অভিযোগ গঠনের পর মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীদের প্রবেশ করানো হয়েছে যেখানে তাদের অবস্থা এবং স্থানান্তর প্রক্রিয়া পরীক্ষা করা হবে। মামলার বিষয়ে একটি সাধারণ ঘোষণা করা হয়েছে যে ম লয শ য য ম বিভাগ পরিষদের পক্ষ থেকে অপরাধ বিষয়ে নিষ্পত্তি করা হবে। এ অপরাধের মূল বিষয়গুলো চোরাচালান করা হয়েছে যেখানে অবৈধ অভিবাসীদের সম্পর্কে কার্যকর তদন্ত করা হবে।
মালয়েশিয়ার সরকার মানবপাচার এবং অপরাধের বিরুদ্ধে আক্রমণ করেছে যাতে বাংলাদেশি এবং অন্যান্য দেশের মানুষ বিপদে পড়ে না। মামলাগুলোতে আবিষ্কার হয়েছে যে অভিযুক্তরা চোরাচালান চক্রের মাধ্যমে অবৈধভাবে অভিবাসীদের মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করানো হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ম লয শ য য ম আইন প্রয়োগের জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড বা ১৫০,০০০ রিঙ্গিত পর্যন্ত জরিমানা নির্ধারণ করা হয়েছে।
মানবপাচার এবং অবৈধ অভিবাসী চোরাচালানের মতো অপরাধের সঙ্গে জড়িত কোনো পক্ষের সঙ্গেই ম লয শ য য ম সরকার আপস করবে না বলে অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক জাকারিয়া শাবান �