বিশ্ব থাইরয়েড দিবসে শিক্ষা ও সচেতনতা সাহায্য করতে পারে রোগ কমানোর পথ
ব শ ব থ ইরয ড দ – বিশ্বজুড়ে বর্তমানে থাইরয়েড সংক্রান্ত সমস্যার হার নীরবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, খাদ্য প্রবাহের পরিবর্তন এবং স্বাস্থ্য সম্পর্কে অজ্ঞতার কারণে অনেকে কোনোদিন জানতে পারেন না যে তারা এ গ্রন্থির সমস্যায় আক্রান্ত। কিন্তু শনাক্ত করা যায় সময়মতো এবং চিকিৎসা সঠিকভাবে প্রদান করা হলে রোগ কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
২০২৬ সালের বিশ্ব থাইরয়েড দিবসের মুখ্য প্রতিপাদ্য হলো ‘অ্যাওয়ারনেস থ্রু এডুকেশন’ বা ‘শিক্ষার মাধ্যমে সচেতনতা’। বিশেষজ্ঞরা আবেদন করেছেন যে শিক্ষা এবং সচেতনতার দ্বারা বিপুল সংখ্যক মানুষের থাইরয়েড সমস্যার ঝুঁকি কমিয়ে সুস্থ জীবনের প্রতিযোগী হতে পারে।
থাইরয়েড কী এবং এর গুরুত্ব
থাইরয়েড হলো গলার সামনে অবস্থিত একটি প্রজাপতি আকৃতির গ্রন্থি। এটি শরীরের বিপাকক্রিয়া, শক্তি উৎপাদন, হৃদস্পন্দন এবং মানসিক অবস্থার প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। হরমোনের মোটা বা কম সংশ্লেষণের ফলে এ গ্রন্থির কার্যকারিতা পরিবর্তিত হয়, যা শরীরে জটিলতা সৃষ্টি করে।
দেশে বিপুল সংখ্যক মানুষ থাইরয়েড সমস্যায় ভুগছেন, কিন্তু অনেকে এ বিষয়ে অজ্ঞ। নারীদের মধ্যে রোগের হার তুলনামূলক বেশি হওয়ায় তাদের স্বাস্থ্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। গ্রামে রোগের শনাক্তকরণ কম হওয়ায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সংখ্যা কম।
বিশ্ব থাইরয়েড দিবস ২০২৬ আমাদের নতুন করে মনে করিয়ে দেয়—শিক্ষিত ও সচেতন সমাজই পারে সুস্থ ভবিষ্যৎ গড়তে।
উপজেলা পর্যায়ে পরীক্ষা সুবিধা অস্থায়ী। অনেক রোগী দেরিতে চিকিৎসা নেন। কিছু এলাকায় পুষ্টিহীনতা ও আয়োডিন ঘাটতি অবশিষ্ট থাকায় রোগ বাড়ছে। স্বাস্থ্যসচেতনতার অভাব ও দারিদ্র্য সমস্যা আরও বেশি হওয়ায় সমস্যার ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
গণমাধ্যমের গুরুত্ব অনেক। তারাই মানুষের মধ্যে দ্রুত স্বাস্থ্য বার্তা পৌঁছে দিতে পারে। এ কাজে টেলিভিশনে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত প্রোগ্রাম প্রচার করা, সংবাদপত্রে সচেতনতামূলক ফিচার প্রকাশ করা এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গ্রামীণ মানুষের জন্য সহজ ভাষায় প্রচারণা গুরুত্বপূর্ণ। অপচিকিৎসা ও ভুয়া তথ্যের বিরুদ্ধে সাধারণ প্রচা�