আমাদের মানসিক উচ্চতা কি বাড়বে? সমাজের প্রতিক্রিয়া এবং চিন্তার গভীরতা কীভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে
আম দ র ম নস ক উচ্চতা বাড়ছে কি কমছে? সম্প্রতি বাংলাদেশের সামাজিক পরিবেশ এমন এক অবস্থায় পৌঁছেছে যেন তথ্যের বাহার থেকে মানুষ এখন গভীর চিন্তা করতে পারে না। চারপাশে শব্দ বয়ে বেড়াচ্ছে, বক্তৃতা ঘটে চলছে, মতামত ছড়িয়ে পড়ছে, প্রতিক্রিয়া আসছে। কিন্তু গভীর চিন্তার স্থান ক্রমে শূন্য হয়ে চলছে। সেই ক্ষেত্রে আম দ র ম নস ক উচ্চতার অস্তিত্ব কী বিপজ্জনক মানে হতে পারে? এই প্রশ্ন বাংলাদেশ সমাজে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ।
সমাজের গতি কি সীমাবদ্ধ হয়ে আসছে?
সভ্যতার ইতিহাসে রুচির নিশ্বাস ঘূর্ণন কখনো আকস্মিক ঘটনা নয়, ধীর ধীরে ঘটে। একটি নদী একদিনে মরে না, প্রথমে তার পানি হ্রাস পায়, তারপর স্রোত শুকিয়ে যায়, এরপর কচুরি দ্বারা তার প্রবাহ প্রায় অবরুদ্ধ হয়। এরপর একদিন দেখা যায় নদীর বুকের উপর মানুষ হেঁটে যাচ্ছে। সংস্কৃতির মৃত্যুও তেমনি। প্রথমে মানুষ গভীর সাহিত্য পড়া বন্ধ করে, তারপর কঠিন চিন্তাকে ভয় পেতে শুরু করে। তারপর শিল্পকে কেবল বিনোদন বলে মনে করা হয়। এখন সমাজ আর উৎকর্ষ চিনতে পারে না। বাংলাদেশ সেই বিপজ্জনক পর্যায়ে খুব কাছে দাঁড়িয়ে আছে।
আম দ র ম নস ক উচ্চতার কমে যাওয়া কোন নতুন ঘটনা নয়, এটি একটি অনুমান বলে মনে হয়। বর্তমান যুগে মানুষ বেশি শোকে মুক্ত হয়েছে, কিন্তু চিন্তার গভীরতা কমে গেছে। তথ্য ও সমাচারের স্রোত এতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে যে মানুষ কোন প্রশ্ন তুলতে চায় না। বরং এক শীঘ্র করে উত্তর খুঁজে বের করে। আম দ র ম নস ক উচ্চতার হ্রাস এই পরিবর্তনের ফলাফল।
প্রযুক্তি এবং সংস্কৃতির পরিবর্তন
আমরা প্রযুক্তিতে এগোচ্ছি, সেতু বানাই, অর্থনীতি বাড়াই, শহর উঁচু করি। কিন্তু প্রশ্ন হলো, আমাদের মানসিক উচ্চতা কি বাড়বে? আম দ র ম নস ক উচ্চতা বৃদ্ধির পথে আমাদের সেতু নির্মাণ করতে হবে। প্রযুক্তি এখন কেবল প্রজ্ঞার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, কিন্তু এটি কখনও মানুষকে আকর্ষণ করে না। আম দ র ম নস ক উচ্চতার কমে যাওয়া হল বাইরের আলোকে বিস্মিত হয়ে গভীর পর্যায়ে বিচার করা সম্ভব হয় না।
এখন সমাজ আর কী চিন্�