Article

আপেলের বীজ খেলে কি সত্যিই বিষক্রিয়া হয়?

আপ ল র ব জ খ ল: প ল র ব জ খ ল - সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হওয়া একটি ঘটনা দেখা গেছে, যেখানে আপেলের বীজ খেয়ে কোনো মানুষের মৃত্যু ঘটেছে। এই ঘটনা থেকে

Desk Article
Published June 2, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Table of Contents
  1. আপেলের বীজ খেলে কি সত্যিই বিষক্রিয়া হয়?
  2. আপেল খাওয়ার সুবিধা এবং সতর্কতা

আপেলের বীজ খেলে কি সত্যিই বিষক্রিয়া হয়?

আপ ল র ব জ খ ল – সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হওয়া একটি ঘটনা দেখা গেছে, যেখানে আপেলের বীজ খেয়ে কোনো মানুষের মৃত্যু ঘটেছে। এই ঘটনা থেকে একটি প্রশ্ন জাগে- আপেলের বীজ খেলে বিষক্রিয়া হওয়া সম্ভব কি? বিজ্ঞানীদের মতে এটি সত্যিই বিষাক্ত হতে পারে, কিন্তু শরীরে কতটা পরিমাণে এটি বিপজ্জনক হয়। আপেলের বীজ থেকে সৃষ্ট রাসায়নিক যৌগগুলি এতটা পরিমাণে শরীরে প্রবেশ করলে মৃত্যুর ঝুঁকি জাতীয় হতে পারে। তবে সাধারণ পরিস্থিতিতে এটি ঘটে না।

আপেলের বীজে কি বিষাক্ত যৌগ রয়েছে?

আপেলের বীজে প্রাকৃতিকভাবে অ্যামিগডালিন নামে একটি রাসায়নিক যৌগ থাকে। এটি সায়ানাইড তৈরি করতে পারে, যার বিষাক্ত প্রকৃতি বিশেষ করে কম পরিমাণে শরীরে প্রবেশ করলে ক্ষতি হতে পারে। আপেল ফলের প্রতি কিছু বীজ অবশ্যই থাকে, কিন্তু তার বিপজ্জনক প্রভাব দেখা যায় না যদি পরিমাণ নিয়ন্ত্রিত হয়। যেমন, একজন ব্যক্তি কয়েকটি আপেল খেলে যেতে পারে কিন্তু একাধিক আপেলের বীজ একসাথে খেয়ে মৃত্যুর ঝুঁকি জাতীয় হয়।

বিষক্রিয়ার সম্ভাবনা

বিষক্রিয়া ঘটানোর জন্য প্রায় ১৫০ থেকে ১,০০০ বীজ খেতে হতে পারে, যা একটি আপেলে থাকে মাত্র ৫–৮ টি। বিষাক্ত পদার্থ হাইড্রোজেন সায়ানাইড হিসেবে পরিচিত, যা শরীরে হজম হওয়ার সময় একাধিক পরিমাণে প্রবেশ করলে ক্ষতি করতে পারে। কিন্তু সাধারণ পরিস্থিতিতে কম পরিমাণে আপেল খেলে বিষক্রিয়া হওয়া অসম্ভব।

আপেল খাওয়া সাধারণত একটি সুস্থ খাবার হিসেবে গণ্য হয়। এটি ফাইবার, ভিটামিন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হওয়ায় শরীরের কোষ পুনরুজ্জীবিত করতে সাহায্য করে। আপেলের বীজ থেকে সৃষ্ট সায়ানাইড কোনো সাধারণ ক্ষেত্রে কোনো বিপদ তৈরি করে না। এটি হালকা পরিমাণে খেলে শরীরে ক্ষতি হয় না। তবে কিছু পরিস্থিতিতে কম বীজও বিপদের কারণ হতে পারে।

গবেষণায় দেখা গেছে যে আপেলের বীজ থেকে শরীরে সায়ানাইড প্রবেশ করতে হলে প্রায় ২০–৪০ টি বীজ খেতে হতে পারে। এতে করে শরীরে অক্সিজেন ব্যবহার বন্ধ হওয়া সম্ভব হয়। এই সময় মাথা ঘোরা, শ্বাসকষ্ট এবং বমি হতে পারে। কিন্তু সাধারণ ক্ষেত্রে এটি ঘটে না।

আপেল খাওয়ার সময় যখন বীজগুলি মুখে প্রবেশ করে, তখন তার শক্ত খোসা সাহায্য করে শরীরে বিষাক্ত পদার্থ পৌঁছতে কঠিন হয়। তবে বীজগুলি ভেঙে খেলে এটি সহজে শরীরে প্রবেশ করতে পারে। বিষক্রিয়া হওয়ার জন্য খুব বড় পরিমাণে বিষ দরকার, যা আপেলের বীজ থেকে স্বাভাবিক অবস্থায় প্রাপ্ত হয় না। অতএব আপেল খাওয়া নিয়ে আতঙ্ক করা সত্যিই অপ্রয়োজন।

আপেল খাওয়ার সুবিধা এবং সতর্কতা

আপেলের বীজ শরীরে স্ব

Leave a Comment