পুরান ঢাকায় সমাবেশ: মাদক বিরোধী আন্দোলনের দাবি
সমাবেশের লক্ষ্য ও সংগঠনের আহ্বান
প র ন ঢ ক য় সম – পুরান ঢাকায় সমাবেশের আয়োজন করেছে মাদকবিরোধী সংগঠন ‘প্রত্যাশা’ এবং ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। শুক্রবার (২৬ জুন) জুমার নামাজের পর আয়োজিত এই সমাবেশে মাদক ব্যবসার প্রতিরোধের জন্য অলিগলিতে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের দাবি তুলে ধরা হয়। আয়োজকরা বলেন, ওয়ার্ডে মাদক বিস্তার গুরুত্বপূর্ণ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এ অবস্থার মুখোমুখি হওয়ার পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সামাজিক সংগঠনগুলি একত্রে কাজ করতে হবে।
বিশ্ব মাদকবিরোধী দিবসের উপলক্ষে আয়োজকদের মতে, ওয়ার্ডে মাদক বিস্তারের প্রতিরোধে সমাজের স্বাগতিক অংশগ্রহণ অপরিহার্য। তারা আহ্বান জানায় যে সামাজিক পরিবেশে মাদক ব্যবসার আক্রমণ কমাতে হাজার হাজার বাসিন্দা বাস্তবায়নে সহযোগিতা করতে হবে। এ কর্মসূচি দ্বারা ওয়ার্ডের মাদক নির্মূলে দীর্ঘমুখী পরিকল্পনা গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে।
“ওয়ার্ডে মাদক বিস্তার বৃদ্ধির সাথে সাথে অলিগলিতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন দ্বারা প্রতিরোধ করা সম্ভব। এ অবস্থায় বাসিন্দাদের সমাজ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সমন্বয় করতে হবে এবং মাদক বিরোধী আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য প্রতিটি কার্যালয়ের আশপাশে সাবধানতা অবলম্বন করা দরকার।” বলেন প্রত্যাশা সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হেলাল আহমেদ।
অংশগ্রহণকারীদের ভূমিকা
সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন ছাড়া বাসিন্দারা ছাড়া সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতারা। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন দক্ষিণ মুহসেন্দী পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি হাজী বাহাউদ্দীন, ৪১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হাজী ফরহাদ হোসেন মুকুল এবং সাধারণ সম্পাদক হাজী রাহাত হোসেন। সমাবেশে বলা হয় যে মাদক নির্মূলে শুধু পুলিশের ওপর নির্ভর করতে হবে না, সামাজিক সংগঠনগুলির সংযোগও আবশ্যক।
সমাবেশের মাধ্যমে এ অংশগ্রহণকারীদের মতামত গ্রহণ করা হয়। তারা আহ্বান জানান যে মাদক বিস্তার প্রতিরোধে ওয়ার্ডের সামাজিক পরিবেশের জন্য সিসি ক্যামেরা স্থাপনের আহ্বান জানানো হয়। এ পরিকল্পনা দ্বারা পুরান ঢাকায় সমাবেশের আশাবাদী সামাজিক বাসিন্দাদের অবদান আরও বৃদ্ধি করা সম্ভব।
প্রতিশ্রুতি এবং ভবিষ্যতের পরিকল্পনা
আয়োজকরা আশা করেন যে মাদকমুক্ত ওয়ার্ড গড়ে তোলার জন্য পুরান ঢাকায় সমাবেশে তুলে ধরা হয়েছে সামাজিক চেতনা বৃদ্ধির দরকার। প্রতিটি কার্যালয়ের আশপাশে মাদক ব্যবসা চালানো হোক না কেন এ বিষয়ে দায়িত্ব নিয়ে থাকার দাবি জানানো হয়। এ পরিকল্পনা দ্বারা সমাজে সচেতনতা আরও বাড়িয়ে মাদক বিরোধী আন্দোলন প্রবল করা সম্ভব।
পুরান ঢাকায় সমাবেশে আ