মৃত্যু ও হামলার ঘটনা
র গ র ম ত য মব – শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর পর চিকিৎসককে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একজন আটক করেছে। হামলায় অংশ নিয়েছে কমপক্ষে ৫০ জন, যার মধ্যে রোগীর পরিবার ও বহিরাগত রয়েছে। হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজে এ ঘটনার ভয়ংকর দৃশ্য ধরা পড়েছে।
হামলার প্রকৃতি
শুক্রবার রাতে শরীয়তপুরের উত্তর বিলাসখান এলাকার পঞ্চাশোর্ধ্ব লাল মিয়া কাজী হৃদরোগে আক্রান্ত হন। তাকে সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। কিছুক্ষণ পর তার অবস্থা আরও খারাপ হয়ে পড়ে। ডাঃ নাসির ইসলাম তাকে ঢাকার জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে রেফার করেন। কিন্তু ওই চিকিৎসককে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নিয়ে গেলে পরেই রোগী মৃত্যু ঘটে।
“আমার ভাই একজন চিকিৎসক হিসেবে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি দোষীদের বিচার চাই।”
ডাঃ নাসির ইসলামের বড় ভাই নজরুল ইসলাম বলেন, তাঁর ভাই তিন মাস আগে মানুষের সেবা করার কথা জানিয়ে চিকিৎসা সেবায় নিয়োগ পান। তিনি আবার বলেন, যদি কেউ ভুল বুঝে হামলা চালায় তাহলে তা ন্যাক্কারজনক।
হাসপাতালের বিষয়টি আবহাওয়া
চিকিৎসকের মাথায় আঘাত হওয়ার পর তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে পুলিশ সুপার রওনক জাহান বলেন, অপরাধীদের শনাক্ত করার কাজ চলছে। এ ব্যাপারে তিনি আরও বলেন, চিকিৎসাকারীদের আঘাত করে হামলা চালিয়েছে রোগীর স্বজন।
শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা মিতু আক্তার জানান, রোগী মৃত্যুর পর উত্তেজনা তৈরি হয়। তিনি বলেন, বিষয়টি দ্রুত পুলিশ ও ইউএনও ম্যাডামকে জানান। তারপর আহত চিকিৎসককে ঢাকায় পাঠানো হয়।
স্থানীয় সংসদ সদস্য সাঈদ আহমেদ আসলাম ঘটনার পর চিকিৎসককে খোঁজ নেন। তিনি বলেন, যদি দলের কেউ জড়িত থাকে তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন। তিনি আরও জানান, এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।