ঢাকার জলাবদ্ধতা নিরসন চক্রে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে
জল বদ ধত ন রসন চক র – বর্ষা মৌসুম শুরু হতেই ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন জলাবদ্ধতার হটস্পট খুঁজে বের করে। এতে নগরীর রাস্তা থেকে সহজে পানি নামতে থাকে না, ফলে বর্ষা মৌসুমে যানজট ও জনদুর্ভোগ বাড়ে। নগরবাসীদের অভিযোগ, দক্ষিণাংশে জলাবদ্ধতা দীর্ঘদিনের সমস্যা হয়ে আসছে। আবহাওয়া পরিবর্তনের প্রভাবে বৃষ্টিপাত বাড়ছে এবং অপরিকল্পিত নগরায়ণ বাড়ছে বলে তারা মন্তব্য করেছেন।
ডিএসসিসি সূত্রে জানা যায়, ঢাকার দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সংস্থাটি প্রতিবছর নিয়মিত খোঁড়াখুঁড়ি করে। তবে এই প্রস্তুতি প্রতিক্রিয়া দেয় না বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা নিরসনে। এটি প্রতিবছর একই বৃত্তে কাজ চলছে, যা সমস্যার সমাধান করতে পারছে না।
ঢাকার দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নিয়েছে প্রায় ১০৯ দশমিক ২৪ বর্গকিলোমিটার এলাকা। এখানে ৭৫টি ওয়ার্ডে দেড় কোটি মানুষ বাস করে। অথচ পানি নিষ্কাশনে মাত্র চারটি আউটলেট আছে। তার মধ্যে মালিবাগ, শান্তিনগর, পল্টন ও মতিঝিল এলাকার পানি টিটিপাড়া পাম্প স্টেশনের মাধ্যমে নিষ্কাশিত হয়। ধোলাইখাল-সূত্রাপুর থেকে বুড়িগঙ্গায় পুরান ঢাকা, আজিমপুর, গুলিস্তান ও হাজারীবাগ এলাকার পানি যায়। গ্রিন রোড, তল্লাবাগ ও পান্থপথ এলাকার পানি হাতিরঝিল হয়ে রামপুরা পাম্প স্টেশনে যায়। যাত্রাবাড়ী, শ্যামপুর, জুরাইন ও ডিএনডি এলাকার কিছু অংশের পানি শিমরাইল পাম্প স্টেশনে নিষ্কাশন করা হয়।
জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি ও চ্যালেঞ্জগুলো
ঢাকায় একদিনে সর্বোচ্চ ৩৪১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছিল ২০০৪ সালের ১৪ সেপ্তেম্বর। দুদিনে সর্বোচ্চ ৪৯৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছিল, যা অস্বাভাবিক হিসেবে বিবেচিত। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৯৫৩ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে ৪৭ বছরে মাত্র তিনবার একদিনে ২৫০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত ঘটেছিল। অথচ ২০০১ থেকে ২০২৪ সালে মাত্র ২৪ বছরে একই মাত্রার বৃষ্টিপাত তিনবার রেকর্ড হয়।
ঢাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে বড় চ্যালেঞ্জ হলো বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশনের জন্য রেসপন্স টাইম কমিয়ে আনা। জলবা�