কৃষি মন্ত্রী ঘোষণা করেন কাঁঠাল ব্যবহারে খাবার তৈরির প্রস্তাব
ক ষ মন ত র ক ঠ – বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) প্রাঙ্গণে জাতীয় ফল মেলা-২০২৬ উদ্বোধনের পর মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, দেশে ফল উৎপাদনে বিপ্লব ঘটেছে। একসময় বিদেশ থেকে আমদানি করতে হতো ফল এখন স্থানীয় উৎপাদনে পরিণত হয়েছে। ফল আমদানির পরিমাণ কমেছে এবং ভবিষ্যতে আমদানির প্রয়োজনও হবে না বলে মন্ত্রী আশা করছেন।
কাঁঠাল দিয়ে বিশিষ্ট খাবার প্রস্তুত হচ্ছে
মন্ত্রী বলেন, কাঁঠাল ব্যবহারে সিঙ্গারা, সমুসা ও কাবাব সহ বিভিন্ন খাবার তৈরি হচ্ছে। এগুলোর পুষ্টিগুণ আরও উন্নত হয়েছে। তিনি জানান, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে কাঁঠাল ভিত্তিক খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও বিপণন নিয়ে আলোচনা চলছে।
প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে কৃষিখাতে বরাদ্দ কমানো হয়েছে—এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, কৃষির বরাদ্দ কমেনি, বরং আগের বছরের তুলনায় ১০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। এর বাইরে প্রণোদনা ও উন্নয়ন বাজেটও রয়েছে। যারা বরাদ্দ কমেছে বলে বলছেন, তারা হয়তো সঠিক হিসাব করেননি। তিনি আরও বলেন, এবারের বাজেটে কৃষিখাতের বরাদ্দ অতীতের যে কোনো সময়ের তুলনায় বেশি। কৃষিকে কেন্দ্র করেই আমাদের মূল পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
মন্ত্রী ঘোষণা করেন, জাতীয় ফল মেলায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে উৎপাদিত মৌসুমি ও অপ্রচলিত ফলের পাশাপাশি ফলভিত্তিক প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য প্রদর্শন করা হচ্ছে। মেলায় কৃষক, উদ্যোক্তা ও বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে। এতে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন উন্নয়ন কর্পোরেশনের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ফল উৎপাদনের উন্নতির প্রতিশ্রুতি
যোগ করেন মন্ত্রী, দেশে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা ফল প্রক্রিয়াজাতকরণ ও মূল্য সংযোজন কার্যক্রমে যুক্ত হচ্ছেন। আম, আনারস ও কাঁঠাল রপ্তানি শুরু হয়েছে। চলতি বছর কাঁঠাল রপ্তানি আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
ড্রাগন ফলের উদাহরণ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, দুই-তিন বছর আগেও আমরা ড্রাগন ফল আমদানি করতাম। এখন আমরা বাংলাদেশ থেকে ড্রাগন ফল রপ্তানির স্বপ্ন দেখছি। যদিও এটি বিদেশি ফল, তবে বাংলাদেশের আবহাওয়ায় উৎপাদিত ড্রাগন ফল অত্যন্ত সুস্বাদু। বাইরের দেশের ড্রাগন ফলের তুলনায় এটি বেশি