স্পেন থামিয়ে ভোজিনহা নিজের ইনস্টাগ্রাম অনুসারীদের সংখ্যা বাড়ায়
স প নক থ ম য ই – আফ্রিকান ফুটবল খেলোয়ার পরিচয় হিসেবে গ্রহণ করেন ভোজিনহা, কেপ ভার্দের প্রিমিয়ার সার্ভিস গোলরক্ষক। তিনি বিশ্বকাপের ম্যাচে আপন প্রথম অভিষেক করেন ৪০ বছর বয়সে। আগে তিনি ফুটবল খেলেছেন ২৫ বছর বয়সে। তার সম্ভাব্য অপেক্ষাটি সার্থক ছিল নিঃসন্দেহে হ্যাঁ। সোমবার ইউরোপ চ্যাম্পিয়ন স্পেনের বিপক্ষে তার পার্টনারদের সমর্থন করে তিনি গোলশূন্য ড্রয়ে অবদান রাখেন।
গোলরক্ষকের কথা
স্পেন দল এবং তাদের সমর্থকরা বিশ্বাস হারাচ্ছিল, কারণ বল দখলে আধিপত্য বিস্তার করা এবং অবিশ্বাস্য ২৭টি শট নেওয়া সত্ত্বেও তারা গোল পায়নি। দ্বিতীয়ার্ধে বার্সেলোনার তরুণ সুপারস্টার লামিন ইয়ামালেও কেপ ভার্দে কর্তৃক রক্ষণভাগ ভেদ করতে পারেনি। ভোজিনহা বলেন, “তাদের গোল করতে পারেনি কারণ আমি সেরা ছন্দে ছিলেন।” ম্যাচ শেষে ভোজিনহা গোলপোস্টের কাছে ঝুঁকে পড়ে কাঁদতে থাকেন। সতীর্থরা তাকে জড়িয়ে ধরে উৎসাহ প্রকাশ করেন।
খেলোয়ার পরিচয় হিসেবে গ্রহণ করেন
ম্যাচ শুরুর আগে ভোজিনহার ইনস্টাগ্রাম ফলোয়ার সংখ্যা ছিল ৫০ হাজারেরও কিছু কম। ম্যাচ শেষ হতে না হতেই তা বহুগুণ বেড়ে যায়। সাক্ষাৎকার দিতে আসার সময় সেই সংখ্যা ১.৫ মিলিয়ন তথা ১৫ লাখ ছাড়িয়ে যায়। তখন সতীর্থদের প্রশংসা পায় ভোজিনহা।
গোলরক্ষকের জীবনের স্বপ্ন
“আমি সারা জীবন এর জন্য কাজ করেছি, এই মুহূর্তের জন্য, এই স্বপ্নের জন্য। অতীতে অনেক প্রজন্ম এই দিনের স্বপ্ন দেখেছিল; কিন্তু তারা তা অর্জন করতে পারেনি। আর এখন সেই স্বপ্ন সত্যি হয়েছে।”
তার পুরো নাম জোসিমার দিয়াজ। ডাক নাম ভোজিনহা। পর্তুগিজ ভাষায় এই শব্দের অর্থ দাদী। ছোটবেলায় বড় ছেলেরা তাকে ফুটবল মাঠে উত্যক্ত করত এবং তিনি কাঁদতে কাঁদতে বাড়িতে দাদা-দাদীর কাছে ফিরে গেলে তারা হাসাহাসি করত। সেখান থেকেই এই ডাকনামটি পান তিনি। পরে তার ক্লাবে আরেকজনেরও একই নাম, জোসিমার থাকায় তিনি এই ডাকনামটিই নিজের পরিচয় হিসেবে গ্রহণ করেন।
বর্তমানে তিনি পর্তুগালের দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাব শাভেসে খেলেন। ২০১২ সালে জাতীয় দলে যোগ দেন ভোজিনহা। তিনি আগে মলদোভা, সাইপ্রাস, স্লোভাকিয়া এবং পর্তুগালের বিভিন্ন ক্লাবে খেলেছেন।