যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে বাজলো ইরানের জাতীয় সংগীত, উড়লো পতাকা
য ক তর ষ ট র র – প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংঘাতের আবহে ফুটবল ম্যাচে যোগদানের শঙ্কা ছিল। অবশেষে ভিসা দেয়া হলো, তবে বলা হলো ম্যাচ শেষ করে দিনে দিনেই যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হবে ইরানকে।
লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফি স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলাটি শুরু হয়, যার কয়েক ঘন্টা আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেন যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ শেষ করার জন্য একটি প্রাথমিক শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ শেষ করার জন্য একটি প্রাথমিক শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
প্রতিযোগী দুই দলের জাতীয় সংগীত চলার সময় মাঠে নামে ইরানের ফুটবলাররা। যুদ্ধের কারণে বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গীত নিয়ে ইরান ফুটবলেও প্রভাব পড়েছে।
খেলোয়াড়রা ভিসা পেলেও সাপোর্ট স্টাফদের একটা অংশ যুক্তরাষ্ট্রে অনুপস্থিত ছিলেন ভিসা না পেয়ে। টিকিট প্রাপ্তি নিয়েও জটিলতায় পড়েন ইরানের সমর্থকরা। স্থানীয় সমর্থক দ্বারা ইরান ও তাদের জাতীয় সংগীতকে কটাক্ষ বা বিদ্রুপ করার ঘটনা যোগ হয়।
খেলার আগে স্টেডিয়ামের বাইরে প্রায় পাঁচ শতাধিক বিক্ষোভকারী জড়ো হন। তারা ইরান সরকারের বিরুদ্ধে লেখা প্ল্যাকার্ড ও পতাকা প্রদর্শন করেন। তাদের বক্তব্য ছিল, এই ম্যাচে অংশ নেওয়া মানে তেহরান সরকারকে সমর্থন করা বোঝায়।
যুক্তরাষ্ট্রে অস্বস্তি নিয়ে ইরানের সমর্থকরা কয়েক ঘন্টা আগে মাঠে নেমেও ম্যাচ জিতে দেশের মানুষকে স্বস্তি দেওয়ার চেষ্টায় থাকলেও ইরান শেষ পর্যন্ত পারেনি। ম্যাচ শুরুর আগে প্রতিযোগী দুই দলের জাতীয় সংগীত চলার সময় কিছু দর্শক ইরানের জাতীয় সংগীতকে হুটিং করে অপমান করেন।
যুক্তরাষ্ট্রে কিছু অস্বস্তি নিয়ে পৌঁছে গত রোববার। তেতো হলেও কুইনাইন হজম করার মত- আমেরিকানরা চোখের সামনে দেখলো ইরানের পতাকা উড়ছে পতপত করে।
আগামী ২২ জুন বেলজিয়ামের বিপক্ষে পরবর্তী ম্যাচে মাঠে নামবে ইরান। সেই ম্যাচটিও হবে লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফি স্টেডিয়ামে।