মেসিকে ব্যালন ডি’অর দিতেই কি আয়োজকরা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন?
ম স ক ব য লন ড – ২০২৬ বিশ্বকাপে লিওনেল মেসির কৌশলমূলক খেলোয়াড়ী ক্ষমতার জন্য নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার ব্যালন ডি’অর বিজয়ীদের নির্বাচনে সূচনা করা হয়েছে যে ইউরোপের বাইরে কোনও ক্লাবে খেললেও এই পুরস্কার জেতা সম্ভব। এ ঘোষণার প্রভাব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রসারিত হচ্ছে, যেহেতু এটি মেসিকে ইন্টার মিয়ামিতে খেলা প্রসঙ্গে পরোক্ষভাবে সূচিত করে।
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে আর্জেন্টিনার পরিচালনা করা সম্পূর্ণ নতুন একটি ঘটনা হিসেবে মেসির স্থান কমিয়ে আসে। তিনি ইউরোপের বাইরে খেলা ক্লাবের মাধ্যমে প্রথম ব্যালন ডি’অর অর্জন করেন। ইতিহাসে এ ক্ষমতা পূর্বে বিশ্বকাপ খেলোয়াড়দের জন্য সীমাবদ্ধ ছিল।
২০২৩ সালের ব্যালন ডি’অর পুরস্কার সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে যে তিনি ২০২২ সালের ১ আগস্ট থেকে ২০২৩ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত ক্লাব পর্যায়ে স্থান পেয়েছিলেন। কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার স্বর্ণ শিরোপা জেতার পাশাপাশি করেন ৭ গোল ও ৩ অ্যাসিস্ট করেন।
ব্যালন ডি’অরের নীতি পরিবর্তন
হ্যাঁ, ইউরোপের বাইরের কোনো ক্লাবে খেলেও ব্যালন ডি’অর জেতা পূর্ণ সম্ভব। ইতিহাসের কারণে বিষয়টি কঠিন মনে হতে পারে; কিন্তু ইউরোপের বাইরের কয়েকটি লিগের শক্তি বাড়ার ফলে পরিস্থিতি বদলাচ্ছে। ব্যালন ডি’অরে কিছুই অসম্ভব নয়। একজন খেলোয়াড় যে লিগেই খেলুক না কেন, প্রযুক্তিগতভাবে তার এই পুরস্কার জেতার সুযোগ রয়েছে।
২০২৬ বিশ্বকাপে মেসি ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় অবদান রেখেছেন কিলিয়ান এমবাপের সাথে। তিনি সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে লাউতারো মার্টিনেজের জয়সূচক গোলে অ্যাসিস্ট করে ফাইনালে আর্জেন্টিনা পৌঁছে দেন। পাঁচবার ব্রাজিল থেকে ব্যালন ডি’অর জিতেছেন রোনালদো (১৯৯৭ ও ২০০২), রিভালদো (১৯৯৯), রোনালদিনহো (২০০৫) এবং কাকা (২০০৭)।
সর্বশেষ ব্যালন ডি’অর জিতেছিলেন পিএসজির ফরাসি তারকা ওসমান দেম্বেলে। এর আগে কোনও ক্লাব বাইরে থাকলেও এই পুরস্কার জেতা সম্ভব হতে পারে এ ঘোষণা মেসির দাবিতে আরও বলে উঠেছে।