Economy

খুরশীদ আলমকে অপসারণে ইসলামী ব্যাংকে স্বস্তি, কমেছে আমানত তোলার চাপ

খুরশীদ আলমের চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারণের ফলে ইসলামী ব্যাংকে গ্রাহকদের চাপ কিছুটা কমেছে খ রশ দ আলমক অপস রণ ইসল - ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির চেয়ারম্যান পদ

Desk Economy
Published June 16, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

খুরশীদ আলমের চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারণের ফলে ইসলামী ব্যাংকে গ্রাহকদের চাপ কিছুটা কমেছে

খ রশ দ আলমক অপস রণ ইসল – ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির চেয়ারম্যান পদ থেকে খুরশীদ আলমকে বাদ দেওয়া এবং পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রাহক ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসার পথ খুলে দিয়েছে। ব্যাংকটি গত ১৫ দিনে প্রায় ১২ হাজার ৬০০ কোটি টাকা আমানত তুলে নেওয়ার পর সোমবার (১৫ জুন) থেকে এই চাপ কিছুটা কমেছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

খুরশীদ আলম চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ব্যাংকটির ভবিষ্যৎ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। এ সময় বিভিন্ন শাখায় আতঙ্কে ব্যানারে আন্দোলন শুরু হয়। অনেক গ্রাহক তাদের আমানত পুনরায় তুলে নেওয়ার জন্য চেষ্টা করে।

সংকট মোকাবেলায় রোববার (১৪ জুন) কিছু ক্ষেত্রে চেক ক্লিয়ারিং, তহবিল স্থানান্তর ও শাখা এটিএম বুথে নগদ উত্তোলনে সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়। কিন্তু সোমবার রাতে বাংলাদেশ ব্যাংক চেয়ারম্যান এবং পরিচালনা পর্ষদের নিয়োগ বাতিল করার ফলে পরিস্থিতি সুন্দর হয়ে ওঠে।

ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সেই সময়ে নতুন আমানত প্রায় ২০০ কোটি টাকা জমা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক আরও ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা সহায়তা দিয়েছে। গ্রাহকদের সব ধরনের বৈধ চাহিদা পূরণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

পান্থপথ শাখার গ্রাহক রুবিনা বলেন, “রোববার আমার এফডিআর ভাঙানোর জন্য আবেদন করেছিলাম। কিন্তু রাতে চেয়ারম্যান ও পর্ষদ বাতিলের সিদ্ধান্তের পর আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে টাকা তুলতে চলেছি না।”

লোকাল অফিস শাখার গ্রাহক মনির হোসেন বলেন, “রোববার সব টাকা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। কিন্তু সোমবার থেকে আমি তুলতে পারছি না। নতুন নেতৃত্বে ব্যাংক কীভাবে এগোয়, সেটা দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব।”

ইসলামী ব্যাংকের নতুন নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে ব্যাংকার সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ (এবিবি)। তাদের চেয়ারম্যান ও সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুর আরেফিন বলেন, এ সিদ্ধান্ত ব্যাংকটির কার্যক্রম স্বাভাবিক করা এবং ব্যাংকিং খাতে আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে সহায়ক হবে।

তিনি আরও বলেন, গত কয়েকদিনে ব্যাপক হারে গ্রাহকরা আমানত উত্তোলনের চেষ্টা করেছেন। সোমবার থেকে এই চাপ কমতে শুরু হয়েছে। গ্রাহকদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। বাংলাদেশ ব্যাংক সব ধরনের প্রয়োজনীয় সহায়তা দিচ্ছে।

Leave a Comment