নারী-শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে ডিএনএ প্রোফাইল গঠন উন্নতি
ন র শ শ ন র য – নারী-শিশু নির্যাতন বিরুদ্ধে তৎপরতা প্রদর্শন করতে মোট ৪১ হাজার ৫৫৫টি নমুনার ডিএনএ প্রোফাইল তৈরি হয়েছে। এই প্রোগ্রাম ঢাকা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে অবস্থিত জাতীয় ফরেনসিক ডিএনএ প্রোফাইলিং ল্যাবরেটরি এবং সাতটি বিভাগীয় ল্যাবরেটরির সমন্বয়ে চালু হয়েছে। এটি অপরাধের দ্রুত তদন্ত এবং নিশ্চিত বিচার জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
নীতিমালা ও আইনগুলি প্রতিরোধে সাহায্য
সোমবার (১৫ জুন) জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন বলেন, নারী-শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০২৬ সংসদের প্রথম অধিবেশনে পাস করা হয়েছে। আইনে ধর্ষণ ও নির্যাতন মামলার তদন্ত এবং বিচার প্রক্রিয়া সহজ হয়েছে। নারী-শিশু নির্যাতন প্রতিরোধের জন্য নারী ও শিশু সম্পর্কে ক্ষমতাসম্পন্ন নীতিমালা এবং আইনগুলি তৈরি করা হয়েছে।
২০২৫ সালে আইনের সংশোধনী করে নারী-শিশু নির্যাতন মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া সরাসরি সহজ হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি ও শিশু নির্যাতন কর্তৃক কোনও প্রকার সম্মতি ছাড়া ডিএনএ পরীক্ষা করা হবে। নারী-শিশু নির্যাতন বিরুদ্ধে অপরাধের তদন্ত ও বিচার ক্রমাগত চালু হচ্ছে।
বিভিন্ন আইন ও সেবা প্রদানের প্রচেষ্টা
নারী-শিশু নির্যাতন প্রতিরোধের জন্য সরকার বিভিন্ন আইন এবং নীতিমালা গঠনে সহায়তা করেছে। সেগুলি হলো জাতীয় নারী নীতি, ২০১১; ডিএনএ আইন, ২০১৪ ও বিধিমালা, ২০১৭; বাল্যবিবাহ নিরোধ বিধিমালা, ২০১৮ এবং জাতীয় কর্মপরিকল্পনা (২০১৮-২০৩০)। এগুলি নারী-শিশু নির্যাতন প্রতিরোধের মূল গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
মন্ত্রী বলেন, শিশু ও নারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩৭টি ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টার প্রতিষ্ঠিত হবে। বর্তমানে নারী-শিশু নির্যাতন কর্তৃক শিকারীদের সাহায্য প্রদানের জন্য সেন্টারে প্রতিদিন সেবা বিস্তার চলছে। এ পর্যন্ত নারী-শিশু নির্যাতনের শিকারী মোট ৮২ হাজার ৬৭৮ জন প্রতিকূল অবস্থা থেকে মুক্তি লাভ করেছেন।
ন্যাশনাল হেল্পলাইন সেন্টারে এ পর্যন্ত নারী-শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত প্রাপ্ত তথ্য ব্যবহার করে কোনও শিকারী ও অপরাধী প্রতিদিন সেবা গ্রহণ করছেন। পরিবারের সহিংসতা রোধে জাতীয় আইন, ২০২৬ রয়েছে জাতীয় সংসদে। নারী-শিশু নির্যাতন বিরুদ্ধে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং কর্মস্থলে মনোসামাজিক সুরক্ষা আইন প্�