প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পরিচয় দেন
আম চ ইল প রত শ ধ – আম চাইলে প্রতিশোধ নিতে পারি কিন্তু এতে বেনিফিট কী হবে, এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (২১ জুন) রাতে কুয়ালালামপুরের শাংগ্রি লা হোটেলে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি দেশের বর্তমান অবস্থা নিয়ে আলোচনা করেন। সভার সংগ্রামে তিনি জানান যে পূর্ববর্তী সরকারের আমলে বেশ কয়েকটি অত্যাচারের ঘটনা ঘটেছিল, যার কারণে তার পরিবারের সাথে বেনিফিট কী হবে তা নিয়ে তিনি চিন্তিত ছিলেন। এখন তিনি জানান, বিএনপি বর্তমানে দেশের পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে এবং ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশটিকে আবার তুলে ধরার জন্য এগিয়ে আসছে। আম চাইলে প্রতিশোধ নেওয়ার প্রয়োজন আছে বলে তিনি মনে করেন, কিন্তু এই প্রসঙ্গে বেনিফিট কী হবে তা স্পষ্ট করে তোলার চেষ্টা করছেন সরকার।
পূর্ববর্তী সরকারের ধ্বংসাত্মক প্রতিশোধ ও বর্তমান সরকারের দায়িত্ব
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, গত ১৫ বছরে দেশের সরকার ব্যবস্থার ধ্বংসাত্মক পরিস্থিতি তৈরি করেছিল। তিনি মন্তব্য করেন যে কোনো গোষ্ঠী দেশটি শেষ করতে চাইলে তাদের পরিচালনার দায়িত্ব পূরণ করা হয়েছিল। আম চাইলে প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য এগিয়ে আসছে নতুন সরকার, যার কাছে বিএনপির সদস্যদের জন্য আহ্বান জানান হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে দেশের প্রতিটি মানুষের জন্য সুন্দর ভবিষ্যৎ রয়েছে, কিন্তু তা পূরণের জন্য আমাদের কষ্ট ও পরিশ্রম নেওয়া প্রয়োজন। বিএনপি আম চাইলে প্রতিশোধ নেওয়ার চেষ্টা করছে কিন্তু এতে কী ফল হবে তা পরিষ্কার করে তুলতে হবে।
মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করার পর থেকে দেশের সামগ্রিক অবস্থা নির্দিষ্ট পরিবর্তন হয়েছে। তিনি জানান যে পূর্ববর্তী আম চাইলে প্রতিশোধ নেওয়ার ক্ষমতা ছিল কিন্তু এতে বেনিফিট কী হবে তা স্পষ্ট হয়নি। বর্তমান সরকার দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ নতুন প্রস্তাব দেওয়ার চেষ্টা করছে এবং তা পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের সাথে সংযোজন করেছে। আম চাইলে প্রতিশোধ নিতে পারি কিন্তু তার পরিণতি কে নিশ্চিত করতে হবে।
“আমি চাইলে প্রতিশোধ নেওয়ার চেষ্টা করতে পারি কিন্তু এতে বেনিফিট কী হবে তা আমাদের ধৈর্য ধরে নিশ্চিত করতে হবে। দেশ আমাদের সবার কাছে বিশেষ করে বিএনপির সদস্যদের জন্য আহ্বান জানান হয়েছে এবং আম চাইলে প্রতিশোধ নিতে পারি কিন্তু এতে কী প্রকার বেনিফিট হবে তা পরিষ্কার করে তুলতে হবে।”
প্রধানমন্ত্রী তার মতামতে বলেন যে দেশের প্রতিটি সরকার সম্পূর্ণ ধ্বংসস্তূপ থেকে সংগঠিত প্রতিশোধ নিতে পারে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে আম চাইলে প্রতিশোধ নিতে পারি কিন্তু এতে বেনিফিট কী হবে তা বিশ্লেষণ করতে হবে। এখন সরকার দেশের সম্পূর্ণ �