National

বুড়িগঙ্গায় ভাসছিল পচা-গলা মরদেহ, আইডি কার্ডে লেখা জাবি শিক্ষার্থী

og_1781448672_6a2ebfe09a58d

বুড়িগঙ্গা থেকে উদ্ধার হয় পচা-গলা মরদেহ, আইডি কার্ডে লেখা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী

Bangladailypost.com – ব ড় গঙ গ য় ভ সছ – বুড়িগঙ্গা নদী থেকে পচা ও গলা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, যার আইডি কার্ডে লেখা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিল। মৃত যুবকের পুলিশ দ্বারা আবিষ্কার করা হয় রোববার (১৪ জুন) বিকেল ৪টার দিকে ঢাকার বসিলার স্থানীয় এলাকায়। উপপরিদর্শক রবিউল ইসলাম বলেন, মরদেহটি নদীর পানিতে ভেসে যাচ্ছিল দেখে স্থানীয় মানুষ খবর দেন যার কারণে বসিলা ফাঁড়ি থেকে একটি টিম পাঠানো হয়। উদ্ধার করা হয় মরদেহটি কর্মসূচি গ্রহণের সময় নৌ পুলিশের সদস্যদের প্রতিক্রিয়া ছিল নিখুঁত। তিনি মরদেহের অবস্থা বর্ণনা করেন, যার মধ্যে নদীর পানির কারণে শরীরের বিশেষ কোনও আঘাত ছিল না বলে আবিষ্কৃত হয়।

বুড়িগঙ্গার নদী কী ভাবে মৃতদেহ পরিবহন করা হয়েছিল

উদ্ধারকারীদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মরদেহটি নদীর জলে ভাসছিল যেখানে জলের তাপমাত্রা ও বায়ু দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিল। মৃত যুবক গৃহিণী ও পরিবারের সদস্যদের পরিচয় জানা হয়েছিল আইডি কার্ড থেকে। তাঁদের বাসা বসিলার একটি স্থানে অবস্থিত যা বুড়িগঙ্গার কাছাকাছি। পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা মৃতদেহ তুলে আনার প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিয়েছেন। তাঁদের দাবি, মরদেহটি কিছু দিন ধরে নদীতে ভাসছিল এবং তার অবস্থা কিছু পরিবর্তন ঘটেছিল। বুড়িগঙ্গার কাছাকাছি অঞ্চল সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা করেন রবিউল ইসলাম। তিনি বলেন, নদীর পানি বিশেষ করে গ্রীষ্ম মৌসুমে মৃতদেহ আবিষ্কারের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।

মৃত যুবকের শিক্ষার্থী হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার কারণ

মরদেহটি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি ও মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন যা আইডি কার্ডে লেখা ছিল। তিনি পুলিশের তদন্ন গ্রহণের জন্য প্রাথমিক পরীক্ষা করা হয়েছিল। নদীতে ভাসছিল যুবক আপনার মতো কোনও অপরাধের প্রমাণ ছিল না। তাঁর গৃহ ও ব্যবহার প্রকৃতি নিয়ে সংক্ষিপ্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। নদীর পানি থেকে মরদেহ উদ্ধার করার পর তদন্ন শুরু হয়েছিল যার প্রাথমিক সূত্রে একটি সন্দেহ জাগিয়েছিল তিনি অন্য কোনও ঘটনার কারণে নদীতে ভাসছিলেন।

“বুড়িগঙ্গার পানি ছাড়া মৃত যুবকের কোনও অস্ত্র বা আঘাত ছিল না,” রবিউল ইসলাম তথ্য দেন। তিনি দাবি করেন, মরদেহটি নদীতে কোনও মুখ্য ঘটনা বা সামাজিক কারণে দৃষ্টিতে ধরা পড়েছিল। নদী অবিশ্বাস করে না যে মৃতদেহ একটি বিপদ থেকে বাঁচতে চেষ্টা করেছিল।

তদন্ন কর্মসূচির প্রক্রিয়া ও প্রতিক্রিয়া

বুড়িগঙ্গার মরদেহ উদ্ধার পর নৌ পুলিশ এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলি একত্�

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *