অ্যাটর্নি জেনারেলকে নিয়ে ফেসবুকে অপপ্রচার, শাহবাগ থানায় জিডি
অ য টর ন জ ন র – অ্যাটর্নি জেনারেলকে নিয়ে ফেসবুকে অপপ্রচারের ঘটনা এখন একটি গুরুতর বিষয় হিসেবে চোখে পড়ছে। শনিবার (১৩ জুন) সকাল ৯টায় অ্যাটর্নি জেনারেলের কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। তিনি ঘটনার পরিচয় দেন যে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলের নামে একটি বানোয়াট চিঠি ফেসবুকে আপলোড করেছেন, যা তার মানহানি নির্দেশ করার উদ্দেশ্যে প্রেরণ করা হয়েছে। চিঠিটি অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে কোনও নির্দেশ ছাড়া একটি সংশ্লিষ্ট পদক্ষেপের দ্বারা তৈরি হয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। আইন বিষয়ক কর্মকর্তারা অপপ্রচারের চিহ্ন প্রকাশ করেছেন এবং কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানানো হয়েছে।
ফেসবুকে অপপ্রচারের প্রকৃতি এবং সংশ্লিষ্টতা
সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত চিঠিটি বিশেষ করে ফেসবুক পেজ ও গ্রুপে নানা মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এই অপপ্রচার সর্বোচ্চ আদালতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পারে। অ্যাটর্নি জেনারেলকে নিয়ে ফেসবুকে ছড়ানো অপপ্রচারের মাধ্যমে তথ্য প্রকাশের জন্য একটি প্রাথমিক ধাপের আবেদন জানানো হয়েছে। বিচার বিভাগ এবং অ্যাটর্নি জেনারেলের কর্মকর্তাদের প্রতি নেতিবাচক ভাব সৃষ্টি করতে পারে এই অপপ্রচার। আইন কর্মকর্তারা বলেন, এই চিঠির বিষয়বস্তু অসংগতিপূর্ণ এবং মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করেছে।
জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে এই চিঠির বিষয়বস্তু অপ্রমাণিত তথ্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং মিথ্যা। অ্যাটর্নি জেনারেলকে নিয়ে ফেসবুকে ছড়ানো এই অপপ্রচারের কারণে আইনানুগ কার্যক্রমের উপর সন্দেহ জাগানো হচ্ছে। কার্যক্রমের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঠিক প্রমাণ বা নির্দেশ ছাড়া এই ধরনের তথ্য প্রকাশের সময় আইন বিষয়ক কর্মকর্তারা জানান যে এটি সর্বোচ্চ আদালতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে।
অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজলের দায়িত্ব গ্রহণের পর বিচার বিভাগ এবং আইন কর্মকর্তাদের কাছে অপপ্রচারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি এই ঘটনার প্রতি জোর দিয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে চাইছেন এবং বিচার বিভাগের মানহানি করার উদ্দেশ্যে অপরাধী ও তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করা হয়েছে। অ্যাটর্নি জেনারেলের প্রতি সংশয় তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এই অপপ্রচারের কারণে।
অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যক্রম সম্পর্কে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়া অপপ্রচার এখন একটি সংবাদ বিষয়ের মাধ্যমে বিস্তার লাভ করছে। বিচার বিভাগ এবং কাজলিস্ট সংক্রান্ত তথ্যগুলি ভিত্তিহীন হওয়ার কারণে নানা কর্মকর্তারা এর বিরুদ্ধে সংগ্রাম চালাচ্ছেন। তিনি ঘটনার প্রতি প্রতিক্রিয়া দিতে আবেদন করেছেন যাতে বিচারপতি এবং চেম্বার-জজদের কার্যধারা ক্ষুণ্ন হয