শি জিনপিংয়ের গরম-নরম বার্তায় কেমন কাটলো ট্রাম্পের চীন সফর
শ জ নপ য় র গরম নরম – বিশ্বের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক স্থিতি বিক্ষোভের মুখোমুখি হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে সাময়িক যুদ্ধের সাথে রাশিয়া ও ইউক্রেনে বিস্তৃত রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের প্রতিক্রিয়া হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র চীনের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করে। ফলে বাণিজ্য যুদ্ধের সৃষ্টি হয় বিশ্ব অর্থনীতির স্থিতি আরও ক্ষীণ হয়ে আসে। বাণিজ্য ঘটনার প্রকৃত মূল্যায়ন করে দেখা গেল যে দুই দেশের মধ্যে কিছুটা সংঘাত প্রায় সমাপ্ত হয়েছে। কিন্তু বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হল তাইওয়ান প্রশ্ন।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং তাইওয়ানের স্বাধীনতা ও অর্থনৈতিক প্রণালি দুটি পরস্পরবিরোধী হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, তাইওয়ানকে স্বশাসিত দ্বীপ হিসেবে মনে করে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র কিন্তু চীন তাকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ বলে মনে করে। যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানকে সমর্থন দিয়ে আসছে রাজনৈতিক এবং সামরিক ভাবে। তবে এ বিষয়ে বৈঠকের আগে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইরানবিরোধী যুদ্ধ নিয়ে বিবৃতি জারি করেন। তারা বলেন, এই সংঘাত কখনো হওয়া উচিত ছিল না এবং এর অব্যাহত থাকার কোনো কারণ নেই।
তাইওয়ান প্রশ্নটি চীন ও যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলে মনে করেন শি জিনপিং। তিনি জানান যে যদি ট্রাম্প এই প্রশ্নটি সঠিকভাবে সমাপ্ত করতে পারেন না, তবে ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যে সংঘাত বৃদ্ধি পাবে।
ট্রাম্পের এই গুরুত্বপূর্ণ সফরে ইরান ও তাইওয়ান বিষয়ে নিষ্পত্তি পাওয়া যায়নি। প্রায় ২০০টি বিমান কেনার বিষয়ে সম্মতি হয়েছে বলে ঘোষণা করেন ট্রাম্প। যার মাধ্যমে বোয়িংয়ের কাছ থেকে এক দশকের মধ্যে প্রথম বড় ক্রয়াদেশ হতে পারে। কিন্তু বাজারে প্রত্যাশা ছিল প্রায় ৫০০ বিমানের অর্ডার। ফলে বোয়িংয়ের শেয়ার দাম ৪ শতাংশের বেশি কমে যায়।
বৈঠকের ফলাফল সীমিত হওয়ায় চীনের শেয়ারবাজারে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই বৈঠক বড় কোনো সমাধান আনতে পারেনি। কিন্তু দুই নেতা