News

গরুতে সয়লাব খামার, হাটের ঝামেলা এড়িয়ে শখের ক্রেতাদের ভিড়

og_1779704382_6a14223ef3302

গরুতে সয়লাব খামার, হাটের ঝামেলা এড়িয়ে শখের ক্রেতাদের ভিড়

Bangladailypost.com – গর ত সয়ল ব খ ম র – পবিত্র ঈদুল আজহার পূর্বে চট্টগ্রামের গরু হাট এবং খামারগুলোতে এখন উৎসবের আমেজ দেখা যাচ্ছে। প্রতিদিন নগর ও আশপাশের বিভিন্ন এগ্রো ফার্মে শৌখিন ক্রেতাদের বৃদ্ধি হয়েছে। কেউ পরিবার নিয়ে গরু দেখতে আসছেন, কেউ আবার অগে আগে পছন্দের গরু বুকিং করে ফেলছেন। মাঝারি ও তেলতেলে গরু এবার সবচেয়ে চাহিদার সামনে রয়েছে।

অক্সিজেন এলাকার কোয়াইশের মেসার্স হাজী মারুফা এগ্রো ফার্মের মালিক আলহাজ মোহাম্মদ মনজুরুল আলম জাগো নিউজকে জানান, তাঁর খামারে দিনে-রাতে অসংখ্য মানুষ গরু কিনতে আসছেন। কয়েকদিন ধরে খামারে ভিড় দেখা যাচ্ছে। গরুর সঙ্গে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করার ব্যস্ততা দেখা যাচ্ছে।

নুরুল আলম সওদাগর বলেন, প্রতি বছর বিভিন্ন জেলা ছাড়াও ভারত ও মিয়ানমারের গরু চট্টগ্রামে ঢুকে পড়ে। এতে স্থানীয় খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত হন। বেশিরভাগ ক্রেতা এখন ২ থেকে ৪ লাখ টাকার মধ্যে গরু খুঁজছেন।

তিনি যোগ করেন, কয়েক বছর আগেও সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু প্রবেশ করেছিল। এবার তা উল্লেখযোগ্যভাবে কম থাকায় স্থানীয় খামারিরা স্বস্তি পেয়েছেন। কিন্তু আগে দেশীয় গরুর ন্যায্যমূল্য পাওয়া ছিল না ভারতীয় গরু দামে আসার কারণে।

হিলভিউ এলাকার খামারি আতাউর রহমান বলেন, জেলার বাইরে থেকে অতিরিক্ত গরু না এলে আমরা ভালো দাম পাব। আগে ভারতীয় গরুর প্রভাব বেশি ছিল। এখন দেশীয় খামারিরা অনেক এগিয়ে গেছে।

খামারি ও ব্যবসায়ীদের মতামত

সার্ম এগ্রোর মালিক নুরুল আবছার বলেন, বড় গরু পালতে খরচ অনেক বেশি। খাবারের দামও বেড়েছে। কিন্তু ক্রেতারা ছোট ও মাঝারি গরু খুঁজছেন। তাই এবার সেই অনুযায়ী গরু প্রস্তুত করেছি।

নুরুল আলম সওদাগর বলেন, আমাদের দুই ভাইয়ের পরিবার মিলে কোরবানি দিই। এবার সংসারের খরচ অনেক বেড়ে গেছে। তাই ছোট গরু নেওয়ার চিন্তা করছি। পরিবার নিয়ে খামারে গিয়ে গরু দেখে অ্যাডভান্স করে এসেছি।

বহদ্দারহাট এলাকার বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম বলেন, গত বছর বড় গরু কোরবানি দিয়েছিলাম। এবার মোটামুটি মানের গরু হলেই চলবে। এখন সবকিছুর দাম বেশি। তবে অনলাইনে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে ভাগে কোরবানি বিক্রির প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। অনেক খামারি ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব ভিডিও মাধ্যমে গরু প্রদর্শন করছেন।

গরু ব্যবসায়ী বাকলিয়ার বাসিন্দা নুরুল আবছার বলেন, অনলাইনে বিক্রি বাড়লে হাটের চাপ কমবে এবং পরিবহন ও নিরাপত্তা ঝুঁকিও কিছুটা হ্রাস পাবে। বিশেষ করে প্রবাসী পরিবার বা ব্যস্ত নগরবাসীর মধ্যে অনলাইনে গরু বুকিংয়ের আগ্রহ ব

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *