News

‘দলীয় বিবেচনায়’ ১১ বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগের প্রতিবাদ জামায়াতের

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য নিয়োগে আপত্তি জানায় সরকারের ধারাবাহিক প্রক্রিয়া কর্মকাণ্ড বিমূঢ় করেছে জামায়াত দল য় ব ব চন য় ১১

Desk News
Published May 15, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য নিয়োগে আপত্তি জানায়

সরকারের ধারাবাহিক প্রক্রিয়া কর্মকাণ্ড বিমূঢ় করেছে জামায়াত

দল য় ব ব চন য় ১১ – গত বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দেশের ১১টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগ করে সরকার। এ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দলীয় আনুগত্য ও রাজনৈতিক মতামতকে বিশেষ প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে এমন অভিযোগ তুলে গভীর সমালোচনা করে প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এ ঘোষণায় জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এক বিবৃতিতে তীব্র অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।

“জনগণ মনে করে এসব নিয়োগে যোগ্যতা, নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতার পরিবর্তে দলীয় আনুগত্য ও রাজনৈতিক বিবেচনাকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠসমূহে এভাবে দলীয়করণের সংস্কৃতি চালু করা জাতির জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক।”

তিনি আরও দাবি করেছেন যে গত ১৫ মার্চ দেশের ৪২টি জেলা পরিষদে দলীয় প্রশাসক নিয়োগের ঘটনায় জামায়াতে ইসলামী গভীর আপত্তি প্রকাশ করে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিল। তখন তাঁরা বলেছিলেন যে সাধারণ ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের পরিবর্তে দলীয় বিবেচনায় প্রশাসক নিয়োগ গণতান্ত্রিক চেতনার পরিপন্থী এবং স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে দলীয়করণের অপচেষ্টা বাণী দিয়েছিল।

সরকার সেই অগণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা থেকে সরে আসেনি বরং এখন তা উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও বিস্তার লাভ করছে। বিবৃতিতে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় হলো মুক্তবুদ্ধি ও গবেষণার মূল কেন্দ্র। সেখানে দলীয় পরিচয়ে প্রশাসনিক পদে নিয়োগ দেওয়া হলে শিক্ষার পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

তিনি আরও দাবি করেন যে অতীতে দলীয়করণের কারণে শিক্ষা ব্যবস্থায় যে অস্থিরতা, সেশনজট ও সহিংসতা সৃষ্টি হয়েছিল, জনগণ আবারও সেই পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি দেখতে চায় না। জুলাই বিপ্লবের পর রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয় নিয়ন্ত্রণে নেওয়া প্রক্রিয়া গণতন্ত্র ও জবাবদিহিমূলক শাসনের প্রতিকূল।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে যে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, গ্রহণযোগ্যতা ও একাডেমিক যোগ্যতাকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু সরকার তা না করে অগণতান্ত্রিক ও পক্ষপাতদুষ্ট পন্থা অবলম্বন করেছে, যা জাতির সঙ্গে প্রকারান্তরে প্রতারণার সমান। আমরা এই দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ ঘটনায় গভীর অসন্তুষ্টি প্রকাশ করছি এবং তীব্র আপত্তি জানাচ্ছি।

একই সঙ্গে তিনি অবিলম্বে নিয়োগ পুনর্বিবেচনা করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গ্রহণযোগ্য, নিরপেক্ষ ও যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়ার আহ্বান জানান। বিশ্ববিদ্যালয় হলো জ্ঞানচর্চা ও গবেষণার প্র

Leave a Comment